বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ইফার মউশিক প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংগ্রাম ও সাফল্যের ৪৮ বছর,বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মেহেন্দিগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‍্যালি আউটসোর্সিং কর্মীদের জাতীয় পে-স্কেলের সাথে সামঞ্জস্য রেখে স্থায়ী নীতিমালার দাবি ইফার মউশিক প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতির সঙ্গে ‘দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার’ সম্পাদকের সৌজন্য সাক্ষাৎ চা-বাগান ও ঐতিহ্যবাহী আমগাছ পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন গ্রীনম্যান অ্যাওয়ার্ড পেলেন তিন প্রতিষ্ঠান ও চার বিশিষ্ট নাগরিক বিদায় নিলেন নলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল হক সোনারগাঁয়ে ২ হাজার ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার গোলাপগঞ্জে বেড়েছে হানি ট্র্যাপের চক্র : নেপথ্যে মোবাইল লাইভার খালেদ!

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬



আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক :  ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে এমন দেশগুলোর পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এই পদক্ষেপ তেহরানের ওপর চাপ বাড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। একটি মানবাধিকার সংস্থার হিসাব অনুযায়ী বিক্ষোভ দমনে চালানো অভিযানে অন্তত ৬৪৮ জন নিহত হয়েছে জানা গেছে।

গতকাল সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, নতুন এই শুল্কগুলো ‘তাৎক্ষণিকভাবে’ ইরানের বাণিজ্যিক অংশীদারদের ওপর কার্যকর হবে। বিশেষ করে সেই দেশগুলো যারা একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও ব্যবসা করে। ট্রাম্প আগেও একাধিকবার ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন।

ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘এই আদেশ চূড়ান্ত এবং অপরিবর্তনীয়’ তবে কোন বিষয়গুলোকে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা হিসেবে গণ্য করা হবে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

অর্থনৈতিক ডাটাবেস ট্রেডিং ইকোনমিক্স অনুসারে জানা গেছে ইরানের প্রধান বাণিজ্য অংশীদার হল চীন, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইরাক।

ট্রাম্প বারবার ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে, তিনি ইরানের ওপর তার বিভিন্ন বিকল্প বিষয়ে ভাবছেন। কারণ, গত দুই সপ্তাহ ধরে ইন্টারনেট প্রায় সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকা এবং প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগের মধ্যেই বিক্ষোভগুলো থামছে না।

অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে উদ্ভূত এই দেশব্যাপী বিক্ষোভ ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবে শাহকে উৎখাতের পর থেকে ইরানে শাসনকারী ধর্মতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে একটিতে পরিণত হয়েছে।
ইরানি কর্তৃপক্ষ অস্থিরতার জন্য বিদেশী হস্তক্ষেপকে দায়ী করেছে এবং ইরানি কর্তৃপক্ষ দেশব্যাপী পাল্টা সমাবেশ করেছে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো সতর্ক করে বলেছে যে, মৃতের সংখ্যা বাড়তে থাকার তথ্য ঢাকতে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করা করা হয়েছে।

নরওয়ে-ভিত্তিক এনজিও ইরান হিউম্যান রাইটস (আইএইচআর) জানিয়েছে যে, তারা বিক্ষোভের সময় ৬৪৮ জন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, যার মধ্যে নয়জন নাবালকও রয়েছে। তবে সতর্ক করে দিয়ে বলেছে যে, মৃতের সংখ্যা সম্ভবত অনেক বেশি। ‘কিছু অনুমান অনুসারে ৬ হাজারেরও বেশি।’

আইএইচআর জানিয়েছে, ইন্টারনেট বন্ধের ফলে ‘এই প্রতিবেদনগুলো যাচাই করা অত্যন্ত কঠিন’ হয়ে পড়েছে, আনুমানিক ১০ হাজার জনকে আটক করা হয়েছে।

আইএইচআর পরিচালক মাহমুদ আমিরি-মোঘাদ্দাম বলেন, ‘ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের গণহত্যা থেকে বেসামরিক বিক্ষোভকারীদের রক্ষা করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কর্তব্য।’

গতকাল সোমবার হোয়াইট হাউস জানিয়েছে যে, ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনী মোতায়েন করতে ‘ভয় পায় না’, তবে, প্রথমে কূটনৈতিক পথ অনুসরণ করছেন।

 

সূত্র: খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews