1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে  শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন জাতীয়তাবাদী পেশাজীবি দল চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী ভলিবল প্রতিযোগিতা ঝিনাইগাতীতে অবকাশ স্বপ্ন কৃষি সমবায় সমিতির ১ম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত পঞ্চগড়ে বইছে শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রিতে রাষ্ট্রপতির সাথে প্রধান বিচারপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ হোয়াইট হাউসের বৈঠক যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড পরিকল্পনা বদলাতে ব্যর্থ হয়েছে : ডেনমার্ক মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম শান্তকে তারেক রহমানের উপহার মনোনয়ন গ্রহণ ও বাতিলের বিরুদ্ধে ইসিতে ৬ষ্ঠ দিনের আপিল শুনানি চলছে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় শরীয়তপুরের রুদ্রকরে দোয়া মাহফিল চকরিয়ায় অবৈধভাবে কৃষিজমির মাটি কাটার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট, দুই জনকে ২ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড

২০০৯ সালের গণহত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত গিনির সাবেক নিরাপত্তা প্রধান মারা গেলেন

ভোরের আওয়াজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬
আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক :  গত ২০০৯ সালে গিনির স্টেডিয়াম হত্যাকাণ্ডের জন্য মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত একজন মূল ব্যক্তি মারা গেছেন। গতকাল  মঙ্গলবার কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

ক্লদ পিভি পশ্চিম আফ্রিকার দেশটির তৎকালীন স্বৈরশাসক মুসা দাদিস কামারার অধীনে একজন প্রাক্তন কর্নেল এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী ছিলেন।

পিভি, যিনি কোপ্লান নামেও পরিচিত, ২০০৯ সালে রাজধানী কোনাক্রির একটি স্টেডিয়ামে গণহত্যার ঘটনায় তার ভূমিকার জন্য অনুপস্থিতিতে দোষী সাব্যস্ত হন, যেখানে কমপক্ষে ১৫৬ জন নিহত হন।

প্রসিকিউটরের কার্যালয় জানিয়েছে, তিনি মঙ্গলবার কোনাক্রি হাসপাতালে হেফাজতে থাকা অবস্থায় ডায়াবেটিস সংক্রান্ত জটিলতায় মারা যান।

২০০৯ সালের সেপ্টেম্বরে কামারা-নেতৃত্বাধীন জান্তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে কোনাক্রিতে কয়েক হাজার মানুষ মিছিল করে, যারা এক বছর আগে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে নেয়।

জাতিসংঘ অনুমোদিত আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশনের এক প্রতিবেদন জানায়, স্টেডিয়ামে গণহত্যায় অন্তত ১৫৬ জনকে বন্দুক, ছুরি ও চাপাতির আঘাতে হত্যা করা হয়েছে।

ওই ঘটনায আরও শত শত আহত হন এবং কমপক্ষে ১০৯ জন নারী ধর্ষণের শিকার হন, যা গিনির ইতিহাসের অন্যতম কালো অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।

২০২৩ সালে পিভি কারাগার থেকে পালিয়ে যান এবং পরের বছর মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য গিনির একটি আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়, তখন তিনি পলাতক ছিলেন।

২০২৪ সালের শেষের দিকে প্রতিবেশী লাইবেরিয়া থেকে তাকে প্রত্যর্পণ করা হয় এবং কারাগারে পাঠানো হয়।

২০২৩ সালের অভিযানে কামারাও কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন, তবে একই দিনে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্যও তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়, কিন্তু মার্চের শেষে মামাদি দৌম্বুয়া তাকে ক্ষমা করে দেন।

দৌম্বুয়া বর্তমান জান্তা সরকারের প্রধান, যারা ২০২১ সালে আরেকটি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে এবং গত মাসের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়লাভ করে, যেখানে সকল প্রধান বিরোধী নেতাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সূত্র: খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট