
শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা ও কর্তৃত্ব নিয়ে চলে আসা দীর্ঘকালীন এক সংকটের স্থায়ী অবসান ঘটেছে।গোসাইরহাট উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের দুটি মন্দির কমিটির মধ্যে প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতার কারণে সৃষ্ট এই অচলাবস্থা নিরসনে বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন শরীয়তপুর-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে, গোসাইরহাটের দক্ষিণ হলইপট্টি এলাকার ‘শ্রী শ্রী কান্তি বাসন্তি পূজা মন্দির’ এবং ‘শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ দুর্গা মন্দির’ কর্তৃপক্ষের মধ্যে ধর্মীয় রীতি ও পরিচালনা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে মতভেদ ছিল। একাধিকবার স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বুধবার দুপুরে মিয়া নুরুদ্দিন অপু উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদের নিয়ে এক বিশেষ সংহতি বৈঠকে বসেন।
বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনার পর উভয় কমিটি একটি সুনির্দিষ্ট ও সমন্বিত সমঝোতা স্মারকে সম্মত হয়। নুরুদ্দিন অপুর উপস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন পুনরায় স্থাপিত হলে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। সমঝোতা শেষে কমিটির নেতাদের পক্ষ থেকে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়।
এ সময় মিয়া নুরুদ্দিন অপু বলেন, “ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই এক পরিবারের সদস্য। দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশ অনুযায়ী প্রতিহিংসার ঊর্ধ্বে উঠে একটি সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাজ গঠনই আমাদের লক্ষ্য। এছাড়াও তিনি শরীয়তপুরকে একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন জনপদ হিসেবে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
মন্দির কমিটির প্রতিনিধিরা জানান, এই সমন্বিত সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে ধর্মীয় উৎসব ও দৈনন্দিন পরিচালনা সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম কোনো বিঘ্ন ছাড়াই পরিচালিত হবে।