গাইবান্ধার সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রামের মৃতঃ আব্দুল হকের ছোট ছেলে মোঃ মোজাম্মেল হক নিম্ন তফশীলে বর্ণিত জমির দলিল নং ২৪০৭, যাহা ২৮/০৩/২০০৫ ইং, তারিখে মূল জমির মালিক মোছাঃ আজিরন বেগম এর নিকট থেকে ৩ শতক এবং দলিল নং ২৪৩৪ যাহা ২৮/০৩/২০০৫ ইং তারিখে জমির মুল মালিক মোঃ খালেক, মোঃ আব্দুল মতিন মন্ডল, মোছাঃ মজিতন, মোছাঃ সহিদা বেগম এবং মোছাঃ রেবা বেগম এর নিকট থেকে ২.৫০ শতক সহ দুই দলিলে মোট ৫.৫০ শতক জমি ক্রয় করি ক্রয়কৃত জমিতে মোজাম্মেল হক বসতবাড়ী নির্মাণ করে দীর্ঘদিন হইতে ভোগ দখল করে আসছে।
বাদিয়াখালী ইউনিয়নের শিমুলতারী গ্রামের মোঃ আকবর আলী, মোঃ আব্দুল করিম মোঃ ফুল মিয়া, মোঃ শাওন মিয়া ইটাকুরি গ্রামের মোঃ ফুল মিয়া ও লাল মিয়াসহ গুন্ডাবাহিনী নিয়ে গায়ের জোরে অন্যায়ভাবে উক্ত জমি দখল করার চেষ্টা করছে। এমতাবস্থায় মোজ্জামেল হক
বাদি হয়ে বিজ্ঞ গাইবান্ধা সদর সহকারী জজ আদালত রেকর্ড সংশোধনী মামলা নং-২০২৭/১৮ দায়ের করে। বর্তমানে মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে চলমান অবস্থায় আছে। এমতাবস্থা ইংরেজী ২৯/১১/২০২৫ তারিখে অনুমান দুপুর ১২.৩০ মিনিটের দিকে মোঃ আকবর আলী, মোঃ আব্দুল করিম মোঃ ফুল মিয়া, মোঃ শাওন মিয়া
মোঃ ফুল মিয়া ও লাল মিয়াসহ গুন্ডা বাহিনী নিয়ে লোহার রড, বাঁশের লাঠি, ধারালো ছোরা সহ দেশীয়-অস্ত্রপাতি নিয়ে নালিশি জায়গায় আসিয়া জায়গা দখলের উদ্দেশ্যে মোজ্জামেলের গোলায় ঘরের টিনের বেড়া ভাংচুর করিয়া অনুমান ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকার ক্ষতিসাধন করে এবং লাউ, সিম ও শাকসবজির মাচা ভাংচুর করিতে থাকে। সে সময় তিনি এগিয়ে আসে এবং বাধা নিষেধ করে তারা তার কোন কথা না শুনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। একপর্যায়ে মোজ্জামেল হকে তারা খুন জখম করার হুমকি দেয়। তাকে খুন করে
নালিশি জমি দখল করে নিবে তারা। বিষয়টি মোজ্জামের হক স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের জানায় এবং গাইবান্ধা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।