1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
বাউফলে ইকরা ইসলামী মডেল একাডেমির তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রকে নির্মম নির্যাতন - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০২:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
পুলিশকে মাসিক ৬০ হাজার টাকা চাঁদা দিয়ে ব‍্যবসা করি- মাদক ব্যবসায়ী!  সিলেটের মাগুরছড়া ট্র্যাজেডির ২৯ বছর আজ ! রংপুরে  পৃথক অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ! পীরগঞ্জে স্বপ্নসারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান ! জাতীয় শিক্ষাক্রমে সড়ক নিরাপত্তা বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন ! শিক্ষার্থী সাজ্জাদুলের উদ্ভাবিত পণ্য পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর ! দিনাজপুরে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের২৬তম ত্রি-বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ! পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪ তলা ‘বিশ্বেশ্বর পোদ্দার ভবন’ উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শিক্ষামন্ত্রীর অংশগ্রহণ ! গোমস্তাপুর রোকনপুর সীমান্তে ১৫ জনকে পুশ-ইন প্রতিহত করল বিজিবি ! ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে নতুন প্রশাসককে বরণ, বিদায়ী প্রশাসককে সংবর্ধনা !

বাউফলে ইকরা ইসলামী মডেল একাডেমির তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রকে নির্মম নির্যাতন

গোলাম কিবরিয়া বাউফল, পটুয়াখালী
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ইকরা ইসলামিক মডেল একাডেমির তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী আদিল (৮) কে নির্মমভাবে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনা জানাজানি হলে, আজ (১৭ নভেম্বর) ৫দিন পরে আদিলকে দেখতে যান শিক্ষকরা।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ক্লাস চলাকালে এক শিক্ষার্থী জোরে হেসে উঠলে সেই দেখে আদিলও হাসে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষক বাইজিদুর রহমান প্রথমে লাঠি দিয়ে তাকে আঘাত করেন। পরে আদিলের মাথা ধরে ছেলেদের টেবিল থেকে মেয়েদের টেবিলের ওপর আছড়ে ফেলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে তার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।
বিকেলে আদিলকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানকার চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে জানান, শিশুটির দুই কানে ক্ষত হয়েছে এবং ডান কানের পর্দা ছিঁড়ে গেছে।শিশুটির মা লিমা আক্তার বলেন,“দুপুরে খাবার খেতে গিয়ে বিষয়টি জানতে পারি। পরে বুঝতে পারি শিক্ষক তাকে মারধর করেছে। বরিশালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা বলেন তার কানের অবস্থা গুরুতর।”
স্কুলটির পরিবেশ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন একাধিক অভিভাবক। তারা জানান, প্রতিষ্ঠানে শারীরিক শাস্তি কোনো নতুন ঘটনা নয়। শিক্ষকরা বেত্রাঘাত না করলেও প্রায়ই হাতে মারধর করেন। এছাড়া ভবনের কক্ষগুলো স্যাঁতস্যাঁতে, গ্যাস সিলিন্ডার ও চুলাসহ রান্নার সরঞ্জাম শ্রেণিকক্ষেই রাখা, নেই অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র। শ্রেণিকক্ষের লাগোয়া টয়লেটের দুর্গন্ধে পরিবেশ দূষিত হয়। পাশেই থাকা একটি ডেন্টাল ক্লিনিক থেকে বর্জ্য বাতাসে ছড়িয়ে আরও ঝুঁকি তৈরি করছে। সংকীর্ণ সিঁড়ির কারণে জরুরি অবস্থায় শিক্ষার্থীদের নিরাপদে বের হওয়াও কঠিন।অভিযুক্ত শিক্ষক বাইজিদুর রহমান বলেন,“মেডিকেল রিপোর্ট তো মিথ্যা নয়। তবে আমি তাকে এতটা মারিনি। হয়তো শারীরিক দুর্বলতার কারণে এমন হতে পারে।”
ইকরা একাডেমির পরিচালক মুশফিকুর রহমান বলেন,“ঘটনা যেভাবেই হোক ঘটেছে। বিদ্যালয়ের সুনাম রক্ষায় তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।”উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিনুল ইসলাম বলেন,“বাণিজ্যিক বা আবাসিক ভবনে স্কুল পরিচালনা বেআইনি। দ্রুত তদন্ত করে শিশুদের নিরাপত্তা ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট