1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
নিরাপদ সড়ক চাই সফল সামাজিক সংগঠন তারেক রহমান ফিরতে চাইলে একদিনেই ট্রাভেল পাস দেওয়া সম্ভব ঘোড়াঘাটে ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক চালক সীমিত গঠন ও বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত শ্রীমঙ্গলে ১১মাস ধরে ঘরবন্দী এক পরিবার লামায় ট্রাক্টর মোটর সাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১ আহত ৪ চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়ক ব্লকেড, ৬ লেনে উন্নীতকরণের দাবি রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ও  আলোচনা সভা  গৌরনদীতে বিএনপি’র আঞ্চলিক কার্যালয়ে রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ড গাইবান্ধা, ক্রয়কৃত জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা হত্যার হুমকি থানায় অভিযোগ  ৩২ তম বাৎসরিক ওরশ মোবারক ও গুনীসম্মাননা ২০২৫

নবীনগর কৃষকদের ধানের জমিতে ড্রেজারের থাবা , চলছে মাটি বাণিজ্য

নবীনগর প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নে সরকারি কাজের নাম ব্যবহার করে ত্রি-ফসলি কৃষিজমির মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে আবেদ আলী নামে এক ড্রেজার মালিকের বিরুদ্ধে।১৪ নভেম্বর শুক্রবার সরেজমিনে ইসলামপুর পূর্ব পাড়ায় গিয়ে দেখা যায় উর্বর ধানী জমি ড্রেজার দিয়ে গভীরভাবে মাটি কেটে সেই উত্তোলনকৃত মাটি অন্য জায়গায় বিক্রি করছেন।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, আবেদ আলীর প্রভাবের কারণে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পান না। কৃষকরা জানান, আমাদের ফসলি জমি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনকে জানালেও কোনো প্রতিকার মিলছে না। প্রয়োজনে আমরা জেলা প্রশাসকের কাছে যাবো জমি রক্ষার দাবি নিয়ে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কৃষক জানান, আবেদ আলী বছরজুড়ে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এভাবে জমি নষ্ট করে আসছে। প্রথমে এক খণ্ড জমি ৪০ থেকে ৫০ ফুট বা তারও বেশি গভীর করে মাটি কেটে ফেলে। ফলে পাশের জমি ধসে পড়ে। জমির মালিকেরা তখন বাধ্য হয়ে কম মূল্যে জমি বিক্রি করে দিতে হয় তার কাছে।

তারা আরো বলেন, অবৈধ মাটি কাটা কৃষিজমি হ্রাস, খাদ্য উৎপাদন কমে যাওয়া, জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি এবং পরিবেশের ওপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে। নিচু ভূমি ও জলাধার ভরাটের কারণে বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা ও রাস্তা তলিয়ে যাওয়ার ঘটনাও বাড়ছে। অবৈধ ড্রেজারে মাটি কাটার কারণে কৃষকরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। তাদের অভিযোগ প্রভাবশালী ব্যক্তিরা জড়িত থাকায় কেউ আইনগতভাবে ধরা পরছে না।

অভিযোগের বিষয়ে ড্রেজার মালিক আবেদ আলীর সঙ্গে কথা হলে তিনি দাবি করেন, তিনি সরকারি কাজ করছেন। সরকারের অনুমতি পাওয়ায় তিনি এই মাটি কেটে মাঠ ভরাট করবেন, তবে লিখিত অনুমোদনের কোনো নথি আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, জুম্মার নামাজের পর ইউএনও স্যার আসবেন মাঠ ভরাটের কাজ দেখতে।

এ বিষয়ে নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব চৌধুরী বলেন, ফসলি জমি নষ্টকারীদের কোনো ছাড় নেই। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আবেদ আলীর সরকারি কাজের দাবির বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আমি এ বিষয়ে অবগত নই। তার কাছে অনুমোদনের কাগজ আছে কিনা যাচাই করুন।

স্থানীয়দের মতে, ত্রি-ফসলি জমি উজাড় করে মাটি বিক্রি শুধু কৃষিজমির ক্ষতিই নয়, ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তারা দ্রুত প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট