
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার এক সাধারণ যুবক লুৎফর জামান বাবর। হাতে ছিল সামান্য মূলধন আর হৃদয়ে ছিল পরিশ্রম ও বিশ্বাসের অগাধ সাহস। সেই ছোট্ট ঝালমুড়ির দোকানকেই তিনি করেছেন নিজের ভাগ্য বদলের সিঁড়ি। আজ সবাই তাঁকে চেনে ‘ঝালমুড়ি ভিলা’র মালিক হিসেবে—একজন সফল উদ্যোক্তা, এক জীবন্ত অনুপ্রেরণার প্রতীক।
দশমিনার পথঘাটে, স্কুলের গেটের সামনে কিংবা মেলায়—সব জায়গাতেই একসময় দেখা মিলত বাবরের ঝালমুড়ির ঠেলাগাড়ির। টাটকা মুড়ি, সরিষার তেল, কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ আর এক চিমটি মুগ্ধতা—এই স্বাদেই মানুষ মজে যেত। ধীরে ধীরে তাঁর ঝালমুড়ির খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। ব্যবসা বাড়ে, গ্রাহক বাড়ে, আর বাবর হয়ে ওঠেন সবার প্রিয় মুখ।
অদম্য পরিশ্রম আর সততার জোরে আজ তিনি গড়ে তুলেছেন নিজের স্বপ্নের বাড়ি—‘ঝালমুড়ি ভিলা’। বাড়িটির নাম শুনলেই গ্রামের মানুষ হাসিমুখে বলে, “এটাই বাবরের গর্ব!” এখন বাবর শুধু ব্যবসায়ী নন, তিনি তরুণ প্রজন্মের জন্য এক প্রেরণার বাতিঘর।
বাবর বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, কোনো কাজই ছোট না। মন থেকে করলে ঝালমুড়িও সোনায় পরিণত হয়।”একজন ঝালমুড়িওয়ালা থেকে কোটিপতি হওয়া—লুৎফর জামান বাবরের এই গল্প আমাদের শেখায়, সাফল্যের শুরু হয় এক মুঠো সাহস আর এক চিমটি বিশ্বাস দিয়ে।