
মোহাম্মদ আলীম-আল-রাজী‘র কবিতাবলী
ভূমিকা:
এই সময়ের মানুষ এখন সত্য নয়, ভিউয়ের দাস।
কবিতা:
ভিউ বাড়াতে রাত্রি জাগে,
মিথ্যে চোখে আলো লাগে,
মন বিকিয়ে নামের শোর,
হাসির পিছে তিক্ত ঘোর।
ভালো কথা কমে যায়,
অভিনয়েই সুখের ছায়,
ভিউয়ের নেশা আগুন হয়ে,
মানুষ জ্বলে নিজেই ভয়।
কে দেখল কতবার বল,
তাই নিয়ে মাপে দল,
ভিউয়ের লড়াই চুপচাপ কয় —
“তুমি মানুষ নও, খেলনা হয়।”
উপসংহার:
ভিউ নয়, চাই মন খোলা —
সত্যর আলোয় হোক জয়তোলা।
হেমন্তকাল বিষয়ক ৫ টি কবিতা :
ভোরের কুয়াশায় নেমে আসে ধূলি,
মাটির গন্ধে ভরে ওঠে বুঁদি বুলি।
ধানের শিষে হাওয়ার খেলা, নীরবতার গান,
হেমন্তের প্রভাতে মোর মন যেন প্রাণ।
পাতায় শিশির ঝরে খেলা করে সূর্য,
পাখি মেলে ডানা, আকাশে করে সূর্য।
মাটির রং, সোনার আলো, খুশির ঢাল,
হেমন্তকাল ভরে যায় সবুজের খাল।
পথের ধারে হেমন্ত আসে সোনালি,
প্রাণে ভরে যায় নরম আলো, তুলি তুলি।
ধানের মাঠে দুলে রোদ, সোনালী ঝর,
মন ভরে ওঠে শান্তিতে, ঝরে হাসির ঝর।
বাতাসে মৃদু স্নেহ, গন্ধে ভরে মন,
গাছের ছায়ায় ঘুমোয় পাখির ছোটন।
সোনালি আলোয় ভেজা এই প্রভাতকাল,
প্রকৃতি গান গায় হেমন্তের মাল।
শিশিরে ভেজা মাঠে পা রাখি ধীরে,
ধানের শিষে ঝলমল আলো, প্রাণে খিঁচি ভীরে।
গাছের ডালে পাখি, সুরে ভরে গান,
হেমন্তের সকাল, প্রভাতে প্রাণের মান।
হাওয়ার নরম ছোঁয়া, মাটির ঘ্রাণ সোনা,
হেমন্তের রোদে ভিজে যায় মনপ্রাণ।
মনভরে ওঠে শান্তি, দূরে যায় দুঃখকাল,
হেমন্তের প্রভাতে ভরে যায় জগতের ঢাল।
কুয়াশা ঢেকে নিল মাঠ, নদী আর ধান,
ভোরবেলায় নরম আলো মাখে সোনার গাঁ।
পাতায় শিশির ঝরে ধীরে, নীরবতা জাগে,
হেমন্তের সকাল মোর মনকে শীতল করে লাগে।
পাখির গান বেজে ওঠে দূরে পাহাড়ে,
ধানের মাঠে ঢেউ খেলে, হাসে সোনালি আলোয়।
হেমন্তের কুয়াশা ভেজা প্রভাতকাল,
মন ভরে যায় শান্তিতে, ভিজে যায় হৃদয়াল।
ধানের মাঠে হাসে হেমন্তের সোনালি আলো,
পাখি মেলে ডানা, আকাশ ভরে নরম দলো।
শিশিরে ভেজা পথ, মাটির ঘ্রাণ মধুর,
হেমন্তকাল এনে যায় শান্তির ভুরভুর।
হাওয়ার নরম ছোঁয়া, আকাশে আলো নাচে,
মাটির রঙে মিশে যায় প্রাণের কাচে।
মন ভরে ওঠে খুশিতে, দূরে যায় দুঃখ-কাল,
হেমন্তের হাসিতে ভরে ওঠে এই পৃথিবীর ঢাল।