1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে টাঙ্গাইলে মালয়েশিয়া কোম্পানি ও শ্রমিক ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
পুলিশকে মাসিক ৬০ হাজার টাকা চাঁদা দিয়ে ব‍্যবসা করি- মাদক ব্যবসায়ী!  সিলেটের মাগুরছড়া ট্র্যাজেডির ২৯ বছর আজ ! রংপুরে  পৃথক অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ! পীরগঞ্জে স্বপ্নসারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান ! জাতীয় শিক্ষাক্রমে সড়ক নিরাপত্তা বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন ! শিক্ষার্থী সাজ্জাদুলের উদ্ভাবিত পণ্য পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর ! দিনাজপুরে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের২৬তম ত্রি-বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ! পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪ তলা ‘বিশ্বেশ্বর পোদ্দার ভবন’ উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শিক্ষামন্ত্রীর অংশগ্রহণ ! গোমস্তাপুর রোকনপুর সীমান্তে ১৫ জনকে পুশ-ইন প্রতিহত করল বিজিবি ! ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে নতুন প্রশাসককে বরণ, বিদায়ী প্রশাসককে সংবর্ধনা !

দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে টাঙ্গাইলে মালয়েশিয়া কোম্পানি ও শ্রমিক ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

মো:সাজেদ ইবনে আজাদ, টাঙ্গাইল 
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫

টাঙ্গাইলে মালয়েশিয়া কোম্পানি ও প্রবাসী শতাধিক শ্রমিকদের ৫ লক্ষ ৫৬ হাজার রিংগিত বাংলাদেশে দেড় কোটি টাকা নিয়ে আত্মগোপনে থাকা প্রতারক হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগীরা। শনিবার ১৬ আগস্ট দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে ভুক্তভোগীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য দেন সিরাজগঞ্জের শাফিকুল ইসলাম। লিখিত বক্তব্যে বলেন, ৩০ বছর ধরে মালয়েশিয়া ব্যবসা করে আসছেন তিনি৷ । ব্যবসার সুবাদে পরিচয় হয় টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার আঘদিঘিলিয়া গ্রামের আনছার আলীর ছেলে মো: হাবিবুর রহমানের সাথে। তিনি এসএম মাজু কেকাল এসডিএনবিএইচডি কোম্পানি আর এ কনাষ্ট্রাকশন এন্টারপ্রাইজের ইনচার্জ। পরিচয়ের সুবাধে হাবিবুর রহমান বলেন তার কোম্পানিতে অনেক শ্রমিক লাগবে। পরে ধাপে ধাপে প্রায় ১০০ শ্রমিক কাজের জন্য তার কোম্পানিতে পাঠাই। মৌখিক চুক্তি হয় যে প্রতি মাসে তিনি শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করবেন। কিন্তু হাবিব ১ম ২য় ও ৩য় মাস চলে গেলেও শ্রমিকদের কোন বেতন পরিশোধ না করলে আমি তাকে চাপ প্রয়োগ করি। ৪ মাসে গিয়ে তিনি ১মাসের কিস্তি পরিশোধ করেন। কিন্তু আমি শ্রমিকদের ২য়,৩য় ও ৪র্থ এই তিন মাসের বেতন পরিশোধ করি। বাকী টাকা হাবিবের কাছে চাইলে তিনি বলেন দেব। এই অবস্থা চলতে থাকে বেশ কিছুদিন। বার বার তাগাদা দিলে তিনি বলেন কোম্পানি থেকে টাকা পাই নাই। পরে আমি তার কোম্পানিতে খোঁজ কবর নিয়ে দেখি কোম্পানি থেকে সমস্ত বেতন তুলে নিয়েছে অথচ আমার টাকা দিচ্ছে না। হাবিবের এই প্রতারণা যখন আমরা বুঝতে পারি তখন মালয়েশিয়া তার কোম্পানির মালিকের সাথে যোগাযোগ করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। একটি সময় মালয়েশিয়া পুলিশ হাবিবকে উপস্থিত হতে বলেন। কিন্তু তিনি থানায় উপস্থিত না হয়ে সেই এলাকা থেকে পালিয়ে অন্য এলাকায় চলে যায়। পুলিশ তাকে বার বার ডাকলেও তিনি হাজির হয়নি। একসময় আমি বাংলাদেশে এসে তার বর্তমান ঠিকানা সন্তোষ রথখোলায় গিয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করি কিন্তু হাবিব উপস্থিত না হয়ে তার স্ত্রী ও ছেলে এসে ১ সপ্তাহের সময় নিলেও সেই সপ্তাহ আর আসে নাই। এছাড়া হাবিব উল্টো মামলা দায়ের করেন। আমরা কোন উপায় না পেয়ে আর এ কনাষ্ট্রাকশন এন্টারপ্রাইজ কোম্পানির মালিক সারিমা বিনতে নাসিপ কে নিয়ে বাংলাদেশে আসি। সংবাদ সম্মেলনে আনোয়ার হোসেন ও মো সোহেলসহ ভুক্তভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট