1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার ওপরে - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
রিহ্যাবের নতুন সভাপতি ড. মো. আলী আফজাল, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক শেরপুরে মতিন হত্যার ২৯ মাস, বিচার চেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ দাবি রংপুরের একটি  সেতুর অভাবে বিপাকে ২০ গ্রামের মানুষ ! কালীগঞ্জে ব্র্যাক ‘শিখা’ প্রকল্পের ওরিয়েন্টেশন সভা অনুষ্ঠিত টেকসই কৃষি, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বায়ো পেস্টিসাইড ব্যবহার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত কালিহাতীতে বেপরোয়া ট্রাকের ধাক্কায় সড়কেই প্রাণ গেল দুই শ্রমিকের মেহেন্দিগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ডাকাতি মামলার আসামি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার টাংগাইলে তাহমিদ হজ গ্রুপ এর আয়োজনে হজ প্রশি ক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ভুল চিকিৎসার অভিযোগে পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে চিকিৎসককে হামলা, গ্রেপ্তার- ২ মেঘনায় বিএনপি নেতার গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার ওপরে

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি সমতল রেকর্ড হয়েছে ৫২.৩৩ মিটার, যা বিপদসীমা (৫২.১৫ মিটার) থেকে ১৮ সেন্টিমিটার বেশি। এর আগে গতকাল বুধবার সকালে বিপৎসীমা অতিক্রম করে পানি ৭ সেন্টিমিটার ওপরে উঠেছিল, পরে তা নেমে আসে ৪ সেন্টিমিটারে। তবে রাতের বৃষ্টি ও উজানের ঢলে বৃহস্পতিবার আবারও তা বেড়ে ১৮ সেন্টিমিটার ওপরে পৌঁছায়। পানি বৃদ্ধিতে লালমনিরহাটের আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, সদর ও পাটগ্রাম উপজেলার শতাধিক গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বিশেষ করে তিস্তার বাম তীরবর্তী এলাকায় তৃতীয় দফায় বন্যা দেখা দিয়েছে। ডুবে গেছে গ্রামীণ সড়ক, বসতভিটা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ফসলি জমি ও গবাদি পশুর খামার। এলাকাবাসির একজন বলেন, গোবর্ধন এলাকার বাসিন্দা আমজাদ হোসেন বলেন, “পানি ঢুকেছে ধীরে ধীরে। রান্নাবান্না বন্ধ হয়ে গেছে, বাচ্চারা স্কুলেও যেতে পারছে না। অসহায় হয়ে পড়েছি।” নিচু এলাকায় পানি ঢুকে ফসলি জমি ও পশুপাখি নিয়ে বিপাকে পড়েছি। প্রশাসনের দ্রুত সহায়তা প্রয়োজন। মহিষখোচা ইউনিয়নের বাসিন্দারা বলেন, “এমন পানির মধ্যে কথা বলারও অবস্থা নেই। সকাল থেকে খাবার পাইনি। বারবার বন্যায় জীবন অতিষ্ঠ হয়ে গেছে।”

চরাঞ্চলের বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম বলেন, “নদীর পানি বেড়ে রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। আকাশের পানি আর নদীর পানি এক হয়ে গেছে। মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে।” পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার এর জবানিতে জানা যায়, “ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যারাজের সব ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট