1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
তারা শুধু মানুষ ছিল… ফিলিস্তিনের এক নদীর নাম কান্না - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
কুমিল্লায় শর্ট গানের তিন রাউন্ড কার্তুজ, পুলিশের ইউনিফর্ম সহ গ্রেফতার -১! জহুরুলের জীবনে নেমে এসেছে বিপযয়! বাউফলে পানি নিষ্কাশনের পাইপ বসানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩; আটক ৪! ৩৪ ঘণ্টায়ও উদ্ধার হয়নি কুমিল্লায় ফিল্মি স্টাইলে অপহরণ করা কিশোরী। পীরগঞ্জে গ্রাম আদালতের সুফল সম্পর্কে জনসচেনতা বিষয়ক কর্মশালা।  খোকসায় হাইওয়ে সড়কে অটোরিকশা-ইজিবাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা! কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলার উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন সহ অন্যান্য ভবনের জায়গা পরিদর্শনে আসেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নান। ক্ষেতলালে সড়কে খড় শুকানোর দায়ে মোবাইল কোর্ট,২ জনকে জরিমানা! ঢাকা শহরের পরিবেশ দূষণ ও উত্তরণের উপায়। কুমিল্লায় বশির হত্যা মামলার আসামি তাহের আটক!

তারা শুধু মানুষ ছিল… ফিলিস্তিনের এক নদীর নাম কান্না

মোঃ কামাল উদ্দিন
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৫

ঘুম ভাঙে না রিমার মা’র। পাঁচ বছরের যে শিশুটি রাতে তার বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়েছিল, ভোরবেলা তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি ধ্বংসস্তূপের নিচে। একটা মিসাইল এসে কেড়ে নিয়েছে একটা ঘুমন্ত শিশুর নিঃশ্বাস। সে কোনো সৈনিক ছিল না। তার হাতে ছিল না পাথরও। ছিল শুধু একটা ক্ষয়ে যাওয়া টেডি বিয়ার। ইসরায়েল বলবে—”আত্মরক্ষা করেছি”।
ফাতেমা বেগমকে যখন ধ্বংসস্তুপের নিচ থেকে টেনে বের করা হলো, তখনও তিনি ছেলেকে বাঁচানোর জন্য বুকের মধ্যে আঁকড়ে ধরে ছিলেন। ছেলেটি নিঃশ্বাস নিচ্ছিল না। মৃত্যুর পরও এক মা বুক ছাড়েনি। সে জানত, যুদ্ধ কেবল বোমা দিয়ে হয় না, মায়েদের বুকেও যুদ্ধ চলে। মৃত্যুর পরও সেই যুদ্ধ থামে না।
পৃথিবীর মানচিত্রে যে জায়গাটার নাম গাজা, সেখানে শিশুরা রাতে ঘুমুতে যায় দোয়া পড়ে—not “Good night”—বরং “হে আল্লাহ, কাল সকালে যেন চোখ মেলে পৃথিবীটা দেখতে পারি।” নির্বিকার বিশ্ব বিবেকের সামনে তারা মানুষ নয়, তারা সংখ্যামাত্র। “আজ ২১ জন নিহত”, “৬ শিশু মারা গেছে”—সংখ্যার নিচে চাপা পড়ে যায় ছেঁড়া খেলনার কান্না, কচি আঙুলে আঁকা স্বপ্ন, রক্তমাখা স্কুলব্যাগ।ইসরায়েল যখন যুদ্ধবাজ ড্রোন ছাড়ে আকাশে, তখন কেউ টের পায় না, নিচে একটা মেয়ে তার ছোট ভাইয়ের পায়ে কিস করে বলছে—”ভয় পেয়ো না, আমি পাশে আছি”। সে জানে না, কিছুক্ষণের মধ্যেই মাটির নিচে তাদের জায়গা হবে পাশাপাশি।পৃথিবীর বড় বড় রাজধানীগুলো আলোয় ঝলমল করে যখন, গাজার বিদ্যুৎহীন, খাদ্যহীন অন্ধকারের মধ্যে এক বাবা মোমবাতির আলোয় ছেলের লাশের মুখ দেখে বলে—”তুই কষ্ট পাইছিস রে…?” মানবতার কী অপরাধ ছিল ফিলিস্তিনে জন্ম নেওয়া?
তারা স্বাধীনতা চায়নি, তারা শুধু চেয়েছিল একটু শান্তি। একটু বেঁচে থাকার অবকাশ। একটু রুটি, একটু জল, একটু নিরাপদ আকাশ। তারা চায়নি রাজনীতি, যুদ্ধ, অথবা আগ্রাসন—তারা শুধু মানুষ ছিল।তাদের রক্তে যখন শহরের দেয়াল রাঙা হয়, তখন প্রশ্ন ওঠে—পৃথিবী কি সত্যিই মানুষদের জায়গা? এই লেখাটি সেইসব শিশুদের জন্য, যারা আর কখনও খেলবে না। সেইসব মায়েদের জন্য, যারা সন্তানের লাশ কাঁধে নিয়ে হাঁটে নিঃশব্দ পথে। সেইসব বাবাদের জন্য, যারা কাঁদে না, শুধু ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে শূন্য চোখে।ফিলিস্তিন কাঁদছে, কিন্তু তার কান্না শুনে না কেউ।তবু লিখি। কারণ কলম থামলে ইতিহাস একচোখা হয়ে যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট