মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
কালিহাতীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময় সভা বাউফলে প্রধানমন্ত্রীর ছবির উপর অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ লেখার অভিযোগ ঘোড়াঘাটে হারপেস ইনফেকশন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সাইন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠানে আউটসোর্সিং প্রথা বিলুপ্ত ও চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে রাজপথে নামার আলটিমেটাম অসুস্থ ও অসহায় পরিবারের  পাশে দাঁড়ানোর   আহ্বান, এমপি কাজলের ! হাটহাজারীতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, কমিউনিটি সেন্টারকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা !  নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ও পুনঃতফসিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন শেরপুরে জোর পূর্বক জমি দখলের চেষ্টা আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা নিশ্চিতে নির্ভুল তথ্যভাণ্ডার গড়ার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

কাঁদতে থাকো বিশ্ব বিবেক, ফিলিস্তিনের কান্না শুনো

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ, ২০২৫

এই পবিত্র রমজান মাসে, লক্ষ লক্ষ নারী ও শিশু ফিলিস্তিনে অনাহারে, পিপাসায়, চিকিৎসা ও ঔষধের অভাবে কষ্ট পাচ্ছে। তাঁদের জীবন আজ শোষণ ও নিষ্ঠুরতার শিকার। দুনিয়ার অন্য যেকোনো মানুষের মতো, তাদেরও অধিকার ছিল শান্তিতে বেঁচে থাকার, কিন্তু তাদের সঙ্গী হয়েছে নিপীড়ন, হত্যা, ধ্বংস।
বিশ্বের সবচেয়ে পবিত্র স্থান, ইসরায়েল আজ পাষণ্ডদের হাতে বন্দি, ফিলিস্তিনি জনগণ তাদের মাতৃভূমিতে নিজেদেরই গৃহহীন, নির্যাতিত। পবিত্র মসজিদ আল-আকসা, যেখানে বিশ্বের সকল নবী রসুল এবং আল্লাহর প্রিয় রাসূল (সা.) নামাজ আদায় করেছেন, আজ সেখানে ইহুদিরা নিজেদের স্বার্থে আগ্রাসন চালাচ্ছে।
তাদের কষ্টের মাত্রা এতটাই বেশি, যে কথায় তুলে ধরা সম্ভব নয়। নারী ও শিশুদের অবর্ণনীয় যন্ত্রণা, চিকিৎসার অভাব, খাদ্য সংকট, এমনকি পানির জন্য তাদের সংগ্রাম—এ সকল চিত্র মানবিকতার কদাচিৎ দেখা যায়। পৃথিবী ধ্বংসের কাঁথা হয়ে গেলে, ফিলিস্তিনের মানবাধিকার রক্ষা করার জন্য কোনও পদক্ষেপ নেয়া হয় না।
আজ পৃথিবী জুড়ে শান্তির কথা শোনা যায়, কিন্তু ফিলিস্তিনে যারা প্রতিদিন বোমার আঘাতে, অনাহারে, জলহীনতায় মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তাঁদের জন্য কোথাও কোন প্রতিবাদ নেই। ক্যান্সার, এডসের মতো ভয়াবহ রোগেও আক্রান্ত হলেও চিকিৎসার সুবিধা পায় না তারা। কোথায় মানবাধিকার, কোথায় বিশ্ব বিবেক?
তবে, আমাদের রাত্রির ঘুম ভেঙে, আমাদের নীরবতা ভেঙে, এখন সময় এসেছে সকল মুসলিম দেশকে একত্রিত হয়ে, ফিলিস্তিনের সুরক্ষায় দাঁড়ানোর। আমাদের উচিত, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শত্রুতা না রেখে, মানবিক সহানুভূতির ভিত্তিতে কাজ করা। ফিলিস্তিনের নিরীহ শিশুদের রক্ষা করতে, তাদের জন্য খাদ্য, চিকিৎসা, পানি, বিদ্যুৎ, ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।
আজকের বিশ্বে, যারা ইহুদি পাষণ্ডদের হাতে হাত মিলিয়ে ফিলিস্তিনের মানুষদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে সারা পৃথিবীকে প্রতিবাদ করতে হবে। এক্ষেত্রে মানবিক বিবেক ও ন্যায়বিচারের পক্ষে আমাদের প্রত্যেকের সোচ্চার হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্বকে বলতে হবে, “ফিলিস্তিনের শিশুরা, মায়ের গর্ভ থেকে বের হয়ে, পৃথিবীতে আসতে পারেনি নিরাপত্তায়, তারা জন্মগতভাবেই নিপীড়িত।”
অতএব, আমরা কেউ ফিলিস্তিনের শান্তি ফিরে আসার জন্য কোনো যুদ্ধে অংশ নেব না, আমরা চাই শুধু শান্তি, মানবিক অধিকার, এবং ন্যায়বিচার। আজ নয়, আগামীকাল অথবা আগামী দশকে—বিশ্ব যখন ফিলিস্তিনে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করবে, তখন মানবিক ইতিহাসের একটি উজ্জ্বল অধ্যায় সৃষ্টি হবে।
ফিলিস্তিনের জনগণ অবশ্যই জয়ী হবে, ইনশাআল্লাহ।
বিশ্বের সকল মানবিক মানুষকে এই মুহূর্তে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ফিলিস্তিনের জন্য দোয়া করতে আহ্বান জানাচ্ছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews