বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
অভীক্ষাপদ প্রণয়নে ব্লুম ট্যাক্সোনমির ধারণার ব্যবহার: প্রাথমিক তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির বাংলা ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের আলোকে ঐতিহ্যের বারোবাজার: ৭০০ বছরের ইতিহাস থাকলেও নেই পর্যটনের বিকাশ সিলেটের এআরডি ভূয়া এনজিও সংস্থার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ঢাকা শহরের বর্জ্যজনিত দুর্ভোগ প্রশমনে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন দক্ষিন কোরিয়ার সিংগায়েংজু বিশ্ববিদ্যালয়ে আটকা পরেছে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের প্রায় ১৮ কোটি টাকা মনোহরদীতে মোবাইল কোর্টের অভিযান: ৩ ইয়াবা সেবীর ৫ মাস করে কারাদণ্ড পিরোলী খানকাহপাড়া সবুজ সংঘের উদ্যোগে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ নৌপথে চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে বাল্কহেড মালিক-শ্রমিকদের মানববন্ধন রাজশাহী মোহনপুর উপজেলার প্রবেশ মুখে পিলারে নির্মিত হয়েছে পানের প্রতিক

বোয়ালখালী ফুলতল এস এম জে স্পোর্টস ট্রার্ফ বন্ধে ষড়যন্ত্র: বন্ধ না করার জন্য মালিকপক্ষ ও স্থানীয়দের আহবান।

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৫

বোয়ালখালী উপজেলার ফুলতল এলাকায় অবস্থিত জনপ্রিয় খেলার মাঠ এস এম জে স্পোর্টস ট্রার্ফটি বন্ধ করার চেষ্টার বিরুদ্ধে মালিকপক্ষ ও স্থানীয়রা সোচ্চার হয়েছেন। মাঠটি এলাকার তরুণ-তরুণীদের খেলাধুলার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে পরিচিত। তবে বিভ্রান্তিকর তথ্য এবং কিছু মহলের ষড়যন্ত্রের কারণে মাঠটি বন্ধ করে দেওয়ার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ট্রার্ফের মালিকানা ও মামলার পটভূমি- এস এম জে স্পোর্টস ট্রার্ফটি মনির শাহা নামে একজন ভাড়াটিয়া পরিচালনা করছেন। তিনি চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক। ট্রার্ফের মূল জমির মালিক ছিলেন বদি আলম গংরা। দীর্ঘদিন ধরে এ জমি নিয়ে মালিক বদি আলম গংদের সঙ্গে সরকারের মামলা চলছিল। একপর্যায়ে আদালত সরকারের বিরুদ্ধে রায় দিয়ে বদি আলম গংদের পক্ষে জমির মালিকানা ঘোষণা করেন।
মনির শাহা জমির আসল মালিক বদি আলম গংদের কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে ট্রার্ফটি পরিচালনা করে আসছেন। তবে জমির মালিকানা নিয়ে সরকারের মামলার রায় মালিকপক্ষের পক্ষে আসার পরও, কিছু মহল মনির শাহাকে অহেতুক হয়রানি করার চেষ্টা করছে। তারা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে মাঠটি বন্ধের ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে।
১৪৫ ধারায় মামলার অপব্যবহার
সরকারি জমির দাবি থেকে শুরু হওয়া বিরোধে ১৪৫ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। তবে এই মামলায় আদালত থেকে ট্রার্ফ বন্ধের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তবুও একটি মহল প্রশাসনকে ভুল তথ্য দিয়ে মাঠে খেলা বন্ধের জন্য চাপ সৃষ্টি করছে। মনির শাহা অভিযোগ করেছেন যে, তাকে রাজনৈতিকভাবে চিহ্নিত করে এবং অহেতুক হয়রানি করতে এই ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে।
ট্রার্ফ বন্ধের সামাজিক প্রভাব
ট্রার্ফটি বন্ধ হয়ে গেলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে স্থানীয় সমাজে। একদিকে মনির শাহা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন, অন্যদিকে স্থানীয় তরুণ-তরুণীরা খেলাধুলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে। ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলাধুলার মাধ্যমে এখানকার যুবসমাজ সঠিক পথে এগিয়ে আসছে।
একজন অভিভাবকের ভাষায়, “এখানে খেলা বন্ধ হয়ে গেলে ছেলেমেয়েরা বাইরে গিয়ে বিপথে যেতে পারে। ট্রার্ফটি শুধু একটি খেলার জায়গা নয়, এটি আমাদের সন্তানদের সুরক্ষার একটি মাধ্যম।”
মালিকপক্ষের বক্তব্য ও স্থানীয়দের দাবি-
মনির শাহা ও স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য প্রশাসনকে ব্যবহার করে মাঠটি বন্ধ করার চেষ্টা করছে। তারা প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন, যেন বিভ্রান্তিমূলক তথ্যের ভিত্তিতে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া না হয়।
স্থানীয়দের আবেদন-
স্হানীয় ক্রীড়ামোদীরা মনে করেন, এস এম জে স্পোর্টস ট্রার্ফ বন্ধ হয়ে গেলে এলাকার ক্রীড়াঙ্গনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। স্থানীয় এক ক্রীড়াপ্রেমী বলেছেন, “মাঠটি চালু থাকলে এলাকার তরুণ প্রজন্ম খেলাধুলায় উৎসাহিত হবে। এটি বন্ধ হলে তরুণ সমাজ হতাশাগ্রস্ত হয়ে বিপথে যেতে পারে।”
নিরাপদ সমাধানের আহ্বান-
এস এম জে স্পোর্টস ট্রার্ফটি স্হানীয় ক্রীড়ামোদী সমাজের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে যেন মাঠটি বন্ধ না করা হয় এবং সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সমাধান নিশ্চিত করা হয়, এটাই সবার প্রত্যাশা।
সরকারি ও প্রশাসনিক মহলের প্রতি মালিকপক্ষ ও স্থানীয়দের আবেদন, চলমান খেলাধুলার পরিবেশ বজায় রাখতে মাঠটি চালু রাখতে সহযোগিতা করুন এবং কোনো ষড়যন্ত্রকারী মহলের কথায় বিভ্রান্ত হবেন না

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews