1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
পাটগ্রামের ধরলা নদী ভাঙ্গনে সর্বশান্ত কৃষক - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
কুমিল্লায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত।  শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে মেঘনায় বিএনপির আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল।  সঠিক নিয়মে যাকাত প্রদানই কোরবানির শিক্ষা।  মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আমাদের করণীয় পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে বিদেশি মদের চালান উদ্ধার, আটক বাবা-ছেলে!  জয়পুরহাটে ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ৪৯৬ ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত!  ঈদুল আজহা পারস্পরিক সৌহার্দ্যতা ও ভাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে।  শরীয়তপুরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম!  পবিত্র ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফকির মোখলেছুর রহমান বাবু শাহ্!  সরকারিভাবে দুস্থদের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে নগদ অর্থ পাওয়া যায়! 

পাটগ্রামের ধরলা নদী ভাঙ্গনে সর্বশান্ত কৃষক

রাজ রহমান,রংপুর।
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৪

লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার( জোংড়া) ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড ধবলগুড়ি এলাকার হাজীপাড়ায় বয়ে যাওয়া ধরলা নদীর পাড় ভাঙ্গনের কবলে কয়েকশ পরিবার ঘর বাড়িসহ ফসলি জমি হাড়িয়ে নিঃস্ব হয়েছেন। কেউ দিনযাপন করছেন আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে। কারো মাথা গোঁজার ঠাইটুকুও নেই।
ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন বলেন, দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে ধরলা নদীর দিক পরিবর্তন হয়েছে। আমার যেটুকু আবাদি জমি ছিল সব টুকুই ধরলা নদীর পেটে চলে গেছে।
আরেক ভুক্তভোগী সাহাবুল ইসলাম বলেন, আমার আজ শুধু বলার ভাষা ছাড়া অন্য কিছুই নেই। সব কিছুই ধরলা নদী কেড়ে নিয়েছে। ভাঙ্গনের ফলে আজ আমি নিঃস্ব।
একই অভিযোগ তুলে হোসেন আলী, আঃ লতিফ, ফজলুল হক, মসজিদুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, গোলাম রব্বানী, আঃ করিম, আঃ বারেক, মশিউর রহমান প্রমুখ বলেন, আমাদের ৩০০ শতাধিক একর জমি, ঘরবাড়ি, ধান ক্ষেত, বেগুন ক্ষেত, বাদাম ক্ষেতসহ বিভিন্ন আবাদি জমি  নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হচ্ছে। এর স্থায়ী সমাধানও পাচ্ছি না। আমরা এলাকাবাসী শতশত বার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি এর কোন সমাধান পাইনি।
পানি উন্নয়ন বোর্ডেও কয়েক বার যোগাযোগ করা হলেও তারা ধরলা নদীর এই পাড় ভাঙ্গা দেখতে আসেনি।
গ্রামবাসির প্রশ্ন, এই বৈষম্য আর কতদিন চলবে? চোখের সামনে সব শেষ হয়ে যাচ্ছে আর কত চোখের জল ফেলবে তারা।
এবিষয়ে জোংড়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড সদস্য আঃ সাত্তার বলেন, আমরা বিষয়টি জানি। এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারিনি। এটা আমার ব্যর্থতা। ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত প্যানেল চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে স্থায়ী সমাধান‌ করার চেষ্টা করবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট