শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
স্হানীয় সরকার নির্বাচনে ফ্যাসিস্ট ও গুপ্ত মিলে বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে -জহির উদ্দিন স্বপন সড়ক দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজন সবার সদিচ্ছা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা পুলিশের ডিআইজির বাড়িতে চলতো ডিজে পার্টি মাদক ও নারীসহ আটক ৮৪ গাইবান্ধায় ২ শিক্ষকে চলছে ৬ শ্রেণি, সংকটে খলিশার পটল প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘোড়াঘাটে পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেছেন সমাজ কল্যান মন্ত্রী ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন  পরিবার কল্যাণ এর পরিদর্শকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও নানা দূর্নীতির অভিযোগ পাবনায় নেশার টাকা না পেয়ে মাকে জবাই করে হত্যা ॥ ছেলেকে আটক পাবনার তিন আওয়ামী লীগ নেতাকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উদ্যোগে মানববন্ধন

খোকসায় জালিয়াতি করে দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একই ব্যক্তির চাকরি 

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৫



কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় একই ব্যক্তি সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প ও মাদ্রাসা—দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মো. রেজাউল করিম নামের এই ব্যক্তি দুই প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত বেতন ও অন্যান্য সরকারি সুবিধা ভোগ করছেন, যা প্রশাসনের একাংশের সহায়তা ছাড়া সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রেজাউল করিম বর্তমানে খোকসার চাঁদট এম বি মদিনাতুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক পদে কর্মরত। ২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি এনটিআরসির মাধ্যমে এই পদে যোগ দেন তিনি। এখানে তিনি গাজীপুরের ঠিকানা ব্যবহার করে নিয়োগ পান। অপরদিকে, তিনি মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এসইএসডি উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার পদে ২০১২ সাল থেকে কর্মরত। বর্তমানে তার কর্মস্থল মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা, যেখানে তিনি খোকসার ঠিকানা ব্যবহার করেছেন।‘দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দূরত্ব প্রায় ১০০ কিলোমিটার। কিন্তু উভয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলরা দাবি করছেন, তিনি ‘নিয়মিত অফিস করছেন’।
স্থানীয় শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন, রেজাউল করিম দীর্ঘ সময় মাদ্রাসায় উপস্থিত না থেকেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মাসের পর মাস বেতন তুলেছেন। তারা আরও জানান, তিনি খোকসা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাদ্রাসার সাবেক সভাপতির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মহম্মদ শহিদুজ্জামান জানান, রেজাউল করিম নিয়মিত ক্লাস নিচ্ছেন এবং এমপিওভুক্ত হিসেবে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। তবে রেজাউলের স্বীকারোক্তি ভিন্ন—তিনি বলেন, ‘দুই জায়গায় চাকরি করেছি। তবে মাদ্রাসা থেকে বেতন নেইনি।’ পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ‘সরকারি প্রকল্পের চাকরি শেষ হয়ে গেছে, আর পাওয়া বেতন ফেরত দেওয়ার বিষয়েও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।’ মহম্মদপুর উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুহম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘রেজাউল করিম নিয়মিত অফিস করেন এবং বেতন-ভাতা পেয়ে আসছেন। সম্প্রতি তিনি স্বাস্থ্যগত কারণে ছুটিতে আছেন।’
খোকসা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আমাদের অধীনে না, তাই সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়। তবে ইউএনও তাকে ডেকেছিলেন।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews