শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, মিয়ানমারের ৮ নাগরিক আটক ! ডুবেছে কক্সবাজার   খাবারের  হাহাকার  ! সাতক্ষীরা পৌর ৭নং ওয়ার্ডে কামরুলের বিরুদ্ধে মাদককারবারিদের প্রশ্রয় ও চাঁদাবাজির ! সম্পত্তি ও সম্পদের লোভে নির্যাতিত এক নারীর আর্তনাদ ও সংবাদ সম্মেলন! হাটহাজারী এলাকায় বন্যার্তদের উদ্ধার ও সহায়তায় কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সোনারগাঁয়ে শপিং মলে চুরির ঘটনায় আন্তঃজেলা চোরচক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার ! বিএনপি সরকার বারবার ফিরে আসে  তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন! রেশন সুবিধা পেতে যাচ্ছেন ১২-২০ গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীরা ​পীরগঞ্জে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ! জুবাইদার স্মৃতিবিজড়িত হোস্টেলে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস

সাতক্ষীরা পৌর ৭নং ওয়ার্ডে কামরুলের বিরুদ্ধে মাদককারবারিদের প্রশ্রয় ও চাঁদাবাজির !

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

সাতক্ষীরা পৌর ৭নং ওয়ার্ডে কামরুলের বিরুদ্ধে মাদককারবারিদের প্রশ্রয় ও চাঁদাবাজির !

অভিযোগ মোঃ কামরুজ্জামান, সাতক্ষীরা:

সাতক্ষীরা পৌর যুবদলের বহিস্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে চাঁদাবাজি, অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রি এবং মাদক কারবারিদের সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে। সূত্রে জানা যায়, সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গত ১২ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক শেখ তরিকুল ইসলাম কল্লোল স্বাক্ষরিত পত্রে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে মাদক মামলা, আদালতের রায় ও স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে কামরুল ইসলামকে পৌর যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয় । তৎকালীন জেলা যুবদলের সভাপতি আবু জাহিদ ডাবলু ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান মুকুলের নির্দেশক্রমে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। অভিযোগপত্র ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে পূর্বে মাদক সংশ্লিষ্ট একটি মামলায় রাজবাড়ীর আদালত ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন বলে নথিপত্রে উল্লেখ রয়েছে। ওই রায় ও পূর্ববর্তী আইনি প্রক্রিয়ার পর তার দলীয় অবস্থান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন ওঠে। এদিকে স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, ঠিকাদার শফিউর রহমান শফির সঙ্গে যোগসাজশে কামরুল ইসলাম পানি উন্নয়ন বোর্ড ও গণপূর্তসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রভাব খাটিয়ে চাঁদাবাজির মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত রয়েছেন। স্থানীয় সূত্র আরও দাবি করেছে, সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় বিএনপির দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে অবৈধভাবে মাটি কাটা ও বিক্রির ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ইটাগাছা ওয়াপদা মোড় এলাকায় একটি কার্যালয়ে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের ছবি টানিয়ে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টিও এলাকায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এছাড়া কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিরপুর- ১০ মডেল থানায় একটি মাদক মামলা চলমান রয়েছে। তার মা আছিয়ার নামেও সাতক্ষীরা জর্জ আদালতে স্বর্ণ চোরাচালান মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এলাকাবাসী জানান, তার আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে অনেকেই মাদক কারবারি ও সেবনের সাথে জড়িত। কামরুল ইসলাম বিএনপির দলীয় প্রভাব খাটিয়ে মাদককারবারিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার মাধ্যমে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে যাচ্ছে। স্থানীয়রা আরো জানান, এসব অভিযোগ নিয়ে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্ত বা সাংগঠনিক পদক্ষেপের দাবি উঠছে। সব মিলিয়ে সাতক্ষীরার ইটাগাছা ও আশপাশের এলাকায় কামরুল ইসলামকে ঘিরে এক ধরনের বিতর্ক ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, যা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews