শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিয়ে রহনপুরে ‘A+ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২৬’ সম্পন্ন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এলাকা পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ! বান্দরবানে ইয়াবাসহ এগার মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার সাইবার অপপ্রচারের প্রতিবাদে সাংবাদিকদের ক্ষোভ: দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর আগমন: অন্ধকার পৃথিবীতে আলোর জাগরণ জলতরঙ্গ পয়েন্টে মর্মান্তিক ঘঠনা; সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু, খোঁজ মিলছে না সঙ্গীর, চকবাজারে ২০ ইয়াবা সহ ২জন গ্রেফতার মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে আইনজীবীর সংবাদ সম্মেলন কবি আল মুজাহিদী স্মৃতি পদক পেলেন লায়ন গনি মিয়া বাবুল বানিজ‍্য মেলার নামে চলছে রমরমাট জুয়ার ব‍্যবসা,প্রশাসনের নিরব ভুমিকায় জনমনে প্রশ্ন!

সাতক্ষীরা পৌর ৭নং ওয়ার্ডে কামরুলের বিরুদ্ধে মাদককারবারিদের প্রশ্রয় ও চাঁদাবাজির !

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

সাতক্ষীরা পৌর ৭নং ওয়ার্ডে কামরুলের বিরুদ্ধে মাদককারবারিদের প্রশ্রয় ও চাঁদাবাজির !

অভিযোগ মোঃ কামরুজ্জামান, সাতক্ষীরা:

সাতক্ষীরা পৌর যুবদলের বহিস্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে চাঁদাবাজি, অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রি এবং মাদক কারবারিদের সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে। সূত্রে জানা যায়, সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গত ১২ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক শেখ তরিকুল ইসলাম কল্লোল স্বাক্ষরিত পত্রে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে মাদক মামলা, আদালতের রায় ও স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে কামরুল ইসলামকে পৌর যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয় । তৎকালীন জেলা যুবদলের সভাপতি আবু জাহিদ ডাবলু ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান মুকুলের নির্দেশক্রমে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। অভিযোগপত্র ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে পূর্বে মাদক সংশ্লিষ্ট একটি মামলায় রাজবাড়ীর আদালত ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন বলে নথিপত্রে উল্লেখ রয়েছে। ওই রায় ও পূর্ববর্তী আইনি প্রক্রিয়ার পর তার দলীয় অবস্থান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন ওঠে। এদিকে স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, ঠিকাদার শফিউর রহমান শফির সঙ্গে যোগসাজশে কামরুল ইসলাম পানি উন্নয়ন বোর্ড ও গণপূর্তসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রভাব খাটিয়ে চাঁদাবাজির মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত রয়েছেন। স্থানীয় সূত্র আরও দাবি করেছে, সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় বিএনপির দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে অবৈধভাবে মাটি কাটা ও বিক্রির ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ইটাগাছা ওয়াপদা মোড় এলাকায় একটি কার্যালয়ে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের ছবি টানিয়ে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টিও এলাকায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এছাড়া কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিরপুর- ১০ মডেল থানায় একটি মাদক মামলা চলমান রয়েছে। তার মা আছিয়ার নামেও সাতক্ষীরা জর্জ আদালতে স্বর্ণ চোরাচালান মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এলাকাবাসী জানান, তার আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে অনেকেই মাদক কারবারি ও সেবনের সাথে জড়িত। কামরুল ইসলাম বিএনপির দলীয় প্রভাব খাটিয়ে মাদককারবারিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার মাধ্যমে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে যাচ্ছে। স্থানীয়রা আরো জানান, এসব অভিযোগ নিয়ে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্ত বা সাংগঠনিক পদক্ষেপের দাবি উঠছে। সব মিলিয়ে সাতক্ষীরার ইটাগাছা ও আশপাশের এলাকায় কামরুল ইসলামকে ঘিরে এক ধরনের বিতর্ক ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, যা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews