1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
হত্যা মামলার আসামি হয়েও বিটিআরসিতে বহাল তবিয়তে খালেদ ফয়সাল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি না হলে ইরানকে ‘খারাপ পরিণতির’ হুমকি ট্রাম্পের প্রাথমিকের প্রতিটি স্কুলকে ‘স্বায়ত্তশাসিত’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : গণশিক্ষা উপদেষ্টা ত্রয়োদশ  সংসদ নির্বাচন ও গণভোট  উপলক্ষে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে: সেনাপ্রধান ধানের শীষকে বিজয়ী করতে শরীয়তপুর পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে বিএনপির আলোচনা সভ্য নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেটের দাবিতে বাউফলে সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ড্রোন ও বডি ক্যামেরা ব্যবহারের ঘোষণা শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে  বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন বিজিবি মহাপরিচালক কালাইয়ের কুজাইল দিঘী ইজারা নিতে জেলেদের আবেদন

চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি হলে কানাডার ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

ভোরের আওয়াজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬
আন্তর্জাতিক নিউজ  ডেস্ক :   চীনের সঙ্গে কোনো বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করলে কানাডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী সব পণ্যের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে—এমন হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ট্রাম্প এক বছর আগে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও তার উত্তরাঞ্চলীয় প্রতিবেশী কানাডার সম্পর্ক টালমাটাল। বাণিজ্য বিরোধের পাশাপাশি কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন বৈশ্বিক ব্যবস্থায় একটি ‘ছেদ’ সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন।গত সপ্তাহে বেইজিং সফরে কার্নি চীনের সঙ্গে একটি ‘নতুন কৌশলগত অংশীদারত্ব’-এর কথা জানান। এ সফরের ফল হিসেবে শুল্ক কমাতে একটি ‘প্রাথমিক কিন্তু ঐতিহাসিক’ বাণিজ্য চুক্তি হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, ওই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে এর ‘গুরুতর পরিণতি’ হবে।ওয়াশিংটন থেকে এএফপি জানায়, ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লেখেন, কার্নি যদি মনে করেন তিনি কানাডাকে চীনের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর জন্য একটি ‘ড্রপ অফ পোর্ট’-এ পরিণত করবেন, তাহলে তিনি মারাত্মক ভুল করছেন।

তিনি আরও লেখেন, ‘চীন কানাডাকে জীবন্ত গিলে খাবে—তাদের ব্যবসা, সামাজিক কাঠামো ও সামগ্রিক জীবনধারা ধ্বংস করে দেবে।’ট্রাম্প বলেন, ‘কানাডা যদি চীনের সঙ্গে চুক্তি করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী সব কানাডীয় পণ্যের ওপর তাৎক্ষণিকভাবে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।’ট্রাম্প কার্নিকে ‘গভর্নর’ বলে সম্বোধন করেন—যা একটি কটাক্ষ, কারণ ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হওয়া উচিত। চলতি সপ্তাহে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মানচিত্র পোস্ট করেন, যেখানে কানাডা, গ্রিনল্যান্ড ও ভেনেজুয়েলাকে মার্কিন পতাকায় আচ্ছাদিত দেখানো হয়। কানাডার যুক্তরাষ্ট্রবিষয়ক বাণিজ্যমন্ত্রী ডমিনিক লেব্লঁ ট্রাম্পের সর্বশেষ হুমকির জবাবে বলেন, চীনের সঙ্গে কোনো মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির চেষ্টা করা হচ্ছে না।

তিনি এক্সে লেখেন, ‘যা অর্জিত হয়েছে তা হলো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শুল্কসংক্রান্ত বিষয়ের নিষ্পত্তি।’ সাম্প্রতিক দিনগুলোতে দুই নেতার মধ্যে কথার লড়াই আরও তীব্র হয়েছে। ডাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে মঙ্গলবার দেওয়া বক্তব্যে কার্নি যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন বৈশ্বিক ব্যবস্থায় একটি ‘ছেদ’-এর কথা বলেন, যা ব্যাপক করতালিতে সাড়া ফেলে। এই মন্তব্যকে ট্রাম্পের আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বিঘ্নসৃষ্টিকারী ভূমিকাকে ইঙ্গিত করে বলা হয়েছে বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হয়, যদিও কার্নি সরাসরি ট্রাম্পের নাম নেননি। পরদিন ট্রাম্প নিজের বক্তব্যে কার্নির সমালোচনা করেন এবং পরে তাকে তার প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’-এ আমন্ত্রণ জানানোও প্রত্যাহার করে নেন। প্রথমে যুদ্ধ-পরবর্তী গাজা পরিস্থিতি তদারকির জন্য প্রস্তাবিত এই সংস্থাটি এখন অনেক বিস্তৃত ভূমিকার দিকে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে, যা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে—ট্রাম্প হয়তো জাতিসংঘের বিকল্প কিছু গড়তে চাইছেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের কারণেই টিকে আছে। মার্ক, পরেরবার বক্তব্য দেওয়ার সময় এটা মনে রাখবেন।’ এর জবাবে কার্নি বৃহস্পতিবার বলেন, ‘কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের কারণে বেঁচে নেই। আমরা সমৃদ্ধ, কারণ আমরা কানাডীয়।’ তবে তিনি দুই দেশের মধ্যে ‘ব্যতিক্রমী অংশীদারত্ব’-এর কথাও স্বীকার করেন।কানাডা ব্যাপকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। দেশটির মোট রপ্তানির তিন-চতুর্থাংশের বেশি যায় যুক্তরাষ্ট্রে।অটোমোবাইল, অ্যালুমিনিয়াম ও স্টিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ কানাডীয় খাতগুলো ট্রাম্পের বৈশ্বিক খাতভিত্তিক শুল্কে বড় ধাক্কা খেয়েছে। তবে উত্তর আমেরিকার বিদ্যমান মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির প্রতি ট্রাম্পের মোটামুটি আনুগত্যের কারণে এর প্রভাব কিছুটা কম ছিল।এই চুক্তি সংশোধনের আলোচনা এ বছরের শুরুতেই হওয়ার কথা। ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কানাডীয় পণ্যের প্রয়োজন নেই—যার প্রভাব কানাডার জন্য ভয়াবহ হতে পারে।

কানাডিয়ান চেম্বার অব কমার্সের নির্বাহী সহসভাপতি ম্যাথিউ হোমস এক বিবৃতিতে বলেন, তিনি আশা করছেন দুই সরকার দ্রুত একটি ভালো সমঝোতায় পৌঁছাবে, যা ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ কমাবে। চলতি বছর কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো যৌথভাবে ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট