1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
হত্যা মামলার আসামি হয়েও বিটিআরসিতে বহাল তবিয়তে খালেদ ফয়সাল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি না হলে ইরানকে ‘খারাপ পরিণতির’ হুমকি ট্রাম্পের প্রাথমিকের প্রতিটি স্কুলকে ‘স্বায়ত্তশাসিত’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : গণশিক্ষা উপদেষ্টা ত্রয়োদশ  সংসদ নির্বাচন ও গণভোট  উপলক্ষে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে: সেনাপ্রধান ধানের শীষকে বিজয়ী করতে শরীয়তপুর পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে বিএনপির আলোচনা সভ্য নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেটের দাবিতে বাউফলে সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ড্রোন ও বডি ক্যামেরা ব্যবহারের ঘোষণা শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে  বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন বিজিবি মহাপরিচালক কালাইয়ের কুজাইল দিঘী ইজারা নিতে জেলেদের আবেদন

বাসররাতে মুখ ধোয়ার পর কনেকে চিনতে পারছেন না বর

শরিফুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬

বাসর রাতে স্ত্রীর মুখ ধোয়ার পর বদলে গেল বউ!উভয় পক্ষের মামলা গেল আদালত পর্যন্ত। ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে একটি বিয়েকে কেন্দ্র করে অস্বাভাবিক ও বিরল অভিযোগ সামনে এসেছে। বাসর রাতে কনে পরিবর্তনের অভিযোগ ঘিরে দুই পক্ষের মামলা–পাল্টা মামলায় বর রায়হান কবির বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। ঘটনাটি জেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পীরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর এলাকার যুবক রায়হান কবির ঘটকের মাধ্যমে রাণীশংকৈল উপজেলার ভান্ডারা এলাকার একটি মেয়েকে পছন্দ করেন। উভয় পরিবার সম্মত হলে নির্ধারিত সময়ে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বিয়ের রাতেই নবদম্পতি বরপক্ষের বাড়িতে ফেরেন।
বরপক্ষের অভিযোগ, বাসর রাতে কনের অতিরিক্ত সাজসজ্জা ধোয়ার পর রায়হান বুঝতে পারেন—যে পাত্রী তাকে দেখানো হয়েছিল, বাসরঘরে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। এ নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরদিন কনেকে শ্বশুরবাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে পাঠানো হয়।
পরে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সমঝোতার চেষ্টা হলেও কোনো সমাধান আসেনি। এর পরপরই আইনি লড়াই শুরু হয়। গত ২৭ আগস্ট কনের বাবা জিয়ারুল হক ছেলেপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এর পাল্টা হিসেবে ২ সেপ্টেম্বর রায়হান কবির জিয়ারুল হক ও ঘটকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন।

মামলাগুলো বিচারাধীন থাকা অবস্থায় সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রায়হানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হলে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। রায়হানের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ঘটক যে পাত্রী দেখিয়েছিলেন তিনি ভিন্ন ব্যক্তি ছিলেন। বিয়ের সময় পারিবারিক চাপ থাকায় নতুন করে যাচাইয়ের সুযোগ পাওয়া যায়নি। তাদের অভিযোগ, এতে প্রতারণার শিকার হয়েছেন তারা। অন্যদিকে কনের বাবা জিয়ারুল হক বলেন, ছেলেপক্ষ আমাদের বাড়িতে এসে আমার মেয়েকেই দেখে গেছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিয়ের পর ছেলেপক্ষ ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। সময় চাওয়ায় বিষয়টি জটিল হয়ে পড়ে এবং সমঝোতা ভেঙে যায়।
ঘটক মোতালেবের বক্তব্য, তিনি কোনো ভিন্ন পাত্রী দেখাননি এবং ঘটনার পরবর্তী পরিস্থিতি তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। ছেলেপক্ষের আইনজীবী ও বার কাউন্সিলের সভাপতি জয়নাল আবেদীন জানান, কনে বদল সংক্রান্ত অভিযোগের বিচার আদালতেই হবে এবং সেখানেই প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে।
এই অস্বাভাবিক বিয়ের ঘটনাকে কেউ প্রতারণার অভিযোগ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ যৌতুক সংক্রান্ত আইনি জটিলতার ফল বলে মনে করছেন। শেষ পর্যন্ত আদালতের রায়ই নির্ধারণ করবে ঘটনার প্রকৃত পরিণতি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট