1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
অগ্রণী ব্যাংকের ২২ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সাবেক দুই এমডির নামে মামলা - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪ তলা ‘বিশ্বেশ্বর পোদ্দার ভবন’ উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শিক্ষামন্ত্রীর অংশগ্রহণ ! গোমস্তাপুর রোকনপুর সীমান্তে ১৫ জনকে পুশ-ইন প্রতিহত করল বিজিবি ! ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে নতুন প্রশাসককে বরণ, বিদায়ী প্রশাসককে সংবর্ধনা ! জয়পুরহাটে দিনব্যাপী কারাতে বেল্ট পরীক্ষা ও প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ! ইউনাইটেড প্রেসক্লাব চট্টগ্রাম’র উদ্যোগে সাংবাদিক মইনুদ্দীন কাদেরী শওকতকে সংবর্ধনা ! রাজশাহীর  মহনপুরের, মহিষকুন্ডি গ্রামের,অধ্যাপক ড,শামিম আরা চৌধুরী  ! নজরুল স্মৃতি পদক পেলেন লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল ! ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারাগঞ্জে বৃক্ষরোপণের উদ্বোধন ! জ্ঞানভিত্তিক প্রজন্মকে তৈরি করার কাজটাকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি ! কক্সবাজার থেকে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির যাত্রা শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী !

অগ্রণী ব্যাংকের ২২ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সাবেক দুই এমডির নামে মামলা

ভোরের আওয়াজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫

অগ্রণী ব্যাংকের জন্য ফ্লোর স্পেস কেনার নামে প্রায় ২২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক দুই ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) নয়জনের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১০ নভেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ। দুদকের সহকারী পরিচালক মো. রহুল হক বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। এতে দণ্ডবিধি এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক এমডি ও সিইও সৈয়দ আব্দুল হামিদ, সাবেক এমডি মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম, সাবেক মহাব্যবস্থাপক আবুল বাশার সেরনিয়াবাত ও মো. দেলোয়ার হোসেন, সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপনা পরিচালক সাধন চন্দ্র মণ্ডল, সাবেক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল খালেক, সাবেক উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আওলাদ হোসেন এবং আলমপনা বিল্ডার্স লিমিটেডের এমডি মো. আসাদ।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৩ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে অগ্রণী ব্যাংকের বাবুবাজার শাখা এবং ঢাকা দক্ষিণাঞ্চল কার্যালয়ের জন্য অফিস স্পেস কেনার অনুমোদন ছাড়াই অগ্রিম ১৪ কোটি টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা বাংলাদেশ ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংকের নীতিমালা উপেক্ষা করে এ লেনদেন সম্পন্ন করেন। তাদের অনিয়মের কারণে সরকারি তহবিল থেকে কোটি কোটি টাকা ক্ষতি হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে।

অপর মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন না করেই আলমপনা বিল্ডার্সের ‘আলমপনা রব-নূর টাওয়ার’ নামের ভবনের দ্বিতীয় তলায় ফ্লোর স্পেস কেনার নামে সাত কোটি ২০ লাখ টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়। এমনকি ভবনের জমির মালিকানাসংক্রান্ত দলিল সম্পাদনের আগেই আসামি মো. আসাদ ব্যাংকের কাছে বিক্রয় প্রস্তাব দেন।

দুদকের অভিযোগ আরও বলা হয়, ২০১৪ সালের ১৬ জানুয়ারি এক হাজার বর্গফুটের একটি ফ্লোর স্পেস কেনার নোট উপস্থাপনের পর আবুল বাশার সেরনিয়াবাত ও সাধন চন্দ্র মণ্ডলের সুপারিশে ব্যাংকটির সাবেক দুই এমডি ক্রয় অনুমোদন দেন এবং মো. আসাদের অনুকূলে এক কোটি ২৫ লাখ টাকা ছাড় করেন। এভাবে ২০১৩ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে একাধিক ধাপে মোট ২২ কোটি টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে দুদকের অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

সূত্র : অনলাইন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট