মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
পরিবার কল্যাণ এর পরিদর্শকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও নানা দূর্নীতির অভিযোগ পাবনায় নেশার টাকা না পেয়ে মাকে জবাই করে হত্যা ॥ ছেলেকে আটক পাবনার তিন আওয়ামী লীগ নেতাকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উদ্যোগে মানববন্ধন গোবিন্দগঞ্জের কাটাবাড়িতে দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন  সাবেক শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান  দিদারুল হক টাইমস স্কয়ারে দুর্গা পূজা দিনাজপুরে ৪২ বিজিবির অভিযানে প্রায় সোয়া লাখ টাকা মূল্যের বিক্রয় নিষিদ্ধ সিরাপ উদ্ধার ‎চাকরি না পেয়ে উদ্যোক্তা জেমি: কর্মসংস্থান ১০০ নারীর লামার পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন ৩০ ব্যাটালিয়ন কমান্ডার নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ – সবার আগে বাংলাদেশ

‎চাকরি না পেয়ে উদ্যোক্তা জেমি: কর্মসংস্থান ১০০ নারীর

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬



‎চাকরি না পেয়ে উদ্যোক্তা জেমি: কর্মসংস্থান ১০০ নারীর

‎‎মির্জা গোলাম হাফিজ, গাইবান্ধা

‎সরকারি চাকরির পেছনে না ছুটে নিজের মেধা ও আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে সাফল্যের পথ বেছে নিয়েছেন গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের পুরান লক্ষীপুর গ্রামের ফাতেমাতুজ্জোহরা জেমি (৩১)। বেকারত্বের হতাশাকে শক্তিতে রূপান্তর করে মাত্র ২০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে শুরু করেছিলেন হস্তশিল্পের কাজ। আজ তাঁর গড়ে তোলা ‘পুরানলক্ষীপুর এমব্রয়ডারি পল্লী’ ও ‘রায়তা পল্লী ক্রাফট’-এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এলাকার প্রায় ১০০ জন নারীর। সুঁই-সুতার নিপুণ কারুকাজে তাঁরা বদলে ফেলছেন নিজেদের ভাগ্য।

‎‎জানা গেছে, বিআরডিবি (বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড) থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর হস্তশিল্পের দিকে ঝুঁকে পড়েন জেমি। এরপর ক্ষুদ্র ঋণের মূলধন দিয়ে শুরু করেন নকশিকাঁথা, শাড়ি, থ্রি-পিস, ওড়না ও বিছানার চাদর তৈরির কাজ। কাজের পরিধি বাড়তে থাকলে এসএমই ফাউন্ডেশন থেকে এক লাখ টাকা ঋণ নিয়ে উদ্যোগটিকে আরও সম্প্রসারিত করেন তিনি।

‎‎বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে কাজ করে গ্রামের সাধারণ নারীরা স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। ঘরের কাজের পাশাপাশি বাড়তি আয় করে পরিবারের আর্থিক হাল ধরছেন তাঁরা। কর্মীদের নিয়মিত পারিশ্রমিক পরিশোধ করার পরও জেমির মাসিক নিট লাভ থাকে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা।

‎‎সফল নারী উদ্যোক্তা ফাতেমাতুজ্জোহরা জেমি তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি এলাকার প্রায় ১০০ জন নারীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পেরে আমি আনন্দিত। আমার স্বপ্ন—আমার প্রতিষ্ঠানের তৈরি পণ্য ছড়িয়ে পড়ুক দেশজুড়ে।

‎‎​এ বিষয়ে বিআরডিবির সাদুল্লাপুর উপজেলা কর্মকর্তা আবু সালেহ মো. সালাউদ্দিন জানান, প্রশিক্ষণ ও ক্ষুদ্রঋণ সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে জেমি গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছেন। প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা ও বড় অঙ্কের ঋণের সুযোগ পেলে তাঁর এই হস্তশিল্পের উদ্যোগ জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ স্থান করে নেবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews