বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
রামভদ্রপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে হাজী মোসলেম হোসেন সরদারের প্রার্থিতা নিয়ে ব্যাপক প্রচারণা গাজীপুরে অবৈধ ৩ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে র‍্যাব ও জেলা প্রশাসনের অভিযান মনোহরদীতে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময় পলাশে গোপন বৈঠককালে গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতা: নিরপেক্ষ তদন্ত ও অপতৎপরতা রোখার হুঁশিয়ারি যুবদলের তিন মাদকসেবীকে কারাদন্ড ও হাসপাতাল সিলগালা ছাত্রদল নেতার ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াত নেতাসহ গ্রেপ্তার-৩ মেহেন্দিগঞ্জে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির  সহ সাংগঠনিক সম্পাদক  মিজানুর রহমান সুমনের আগমন দিনাজপুরে তীব্র লোডশেডিং! অবহেলা ও অযত্নে মৃতপ্রায় খোকসার মিনি শিশু পার্ক!

দিনাজপুরে তীব্র লোডশেডিং!

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬

দিনাজপুরে তীব্র লোডশেডিং: ব্যবসায়িক ক্ষতি ও জনভোগান্তির পাশাপাশি ক্ষুব্ধ গ্রাহকদের বিক্ষোভ

আব্দুস সালাম, দিনাজপুর 

দিনাজপুর জেলা জুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতির কারণে তীব্র লোডশেডিং দেখা দিয়েছে। দৈনিক চার থেকে পাঁচবার, এমনকি কোনো কোনো এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ব্যাহত হচ্ছে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ও ব্যবসা-বাণিজ্য। স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু কিছু এলাকায় দিনে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ থাকছে না।

বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলায় বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অনেক কম।

নেসকো-২ (বাণিজ্যিক ও শিল্প এলাকা): যেখানে প্রতিদিনের চাহিদা ২৮ মেগাওয়াট, সেখানে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৮ থেকে ২০ মেগাওয়াট।

নেসকো-১: ২১ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সর্বনিম্ন ১৬.৪ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ পাওয়া গেছে।

দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ (৫টি উপজেলা): ১২০ থেকে ১৭০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে মিলছে মাত্র ৮০ থেকে ৯০ মেগাওয়াট।

চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে এই বড় ধরনের পার্থক্যের কারণে বাধ্য হয়ে বিদ্যুৎ বিভাগকে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বিদ্যুৎ না থাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। দিনাজপুর একটি প্রধান চাল উৎপাদনকারী অঞ্চল হওয়ায় সেখানকার রাইস মিলগুলো বিদ্যুৎ সংকটে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে। বারবার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে মিলের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ না পাওয়ায় এই প্রভাব চালের উৎপাদন ও বাজারদরের ওপর পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

দিনের পর দিন বিদ্যুতের এই তীব্র সংকট চলতে থাকায় চরম অসন্তোষ তৈরি হয়েছে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে। এর ধারাবাহিকতায় গত ১ আগস্ট রাতে লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে আফতাবগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ এরিয়া অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয় ক্ষুব্ধ গ্রাহকেরা। পরবর্তীতে গত ১১ আগস্ট নবাবগঞ্জে তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে একদল বিক্ষুব্ধ গ্রাহক পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ভাঙচুর চালান।

বর্তমানে বিদ্যুৎ ঘাটতি পূরণে সরবরাহ বৃদ্ধি ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ জনগণ।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews