সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বিটিএসএফ-এর ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সদস্য সংগ্রহ ও রেজিস্ট্রেশন কর্মসূচির উদ্বোধন ​ভূতুরে বিল ও বেপরোয়া লোডশেডিংয়ে দিশেহারা জনজীবন নিসচার প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চনের দ্রুত সুস্থতা কামনায় ফুলেল শুভেচ্ছা শেরপুরে জমি সংক্রান্ত জেরে গুরুত্বর আহত-১ শ্রীপুরের বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ ইসমাইল হোসেন এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী ১২ আগস্ট বুধবার সিআইডি কর্মকর্তাকে চড় ও হত্যার হুমকি: দিনাজপুর জেলা কৃষকদল নেতা আটক প্রবাসী টিভির পেইজে হামলা,দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা আইন ও মানবাধিকার সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের জোনাল কমিটি গঠন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতিতে গৌরনদীতে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ

​ভূতুরে বিল ও বেপরোয়া লোডশেডিংয়ে দিশেহারা জনজীবন

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬

​ভূতুরে বিল ও বেপরোয়া লোডশেডিংয়ে দিশেহারা জনজীবন: খামার ধ্বংসের মুখে, দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপের আকুল আবেদন

​ফালু মিয়া

​তীব্র গরমে ঘন ঘন লোডশেডিং আর মাস শেষে ৩ থেকে ৪ গুণ বেশি অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলের বোঝায় পিষ্ট হচ্ছেন দেশের সাধারণ জনগণ। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দিনে-রাতে ৫ থেকে ৬ বার বিদ্যুৎ যাওয়া এখন স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছে। অথচ প্রতিবার বিদ্যুৎ আসার পর তার স্থায়িত্ব থাকছে মাত্র দেড় থেকে দুই ঘণ্টা। বিদ্যুৎ বিভাগের এমন অরাজকতায় চরম ভোগান্তির শিকার গ্রাহকরা ক্ষোভ ও হতাশায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
​ভোক্তা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এটি কেবল প্রযুক্তিগত বা সরবরাহজনিত সমস্যা নয়, বরং এর পেছনে বিদ্যুৎ খাতের একটি নির্দিষ্ট স্বার্থান্বেষী চক্রান্তকারী চক্র কাজ করছে। জনগণের ধারণা, ইচ্ছাকৃতভাবে অতিরিক্ত ও ভূতুরে বিল তৈরি এবং অস্বাভাবিক লোডশেডিং সৃষ্টি করে বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
​সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে দেশের পোল্ট্রি খাতে। বিদ্যুৎ না থাকায় প্রচণ্ড গরমে খামারের শত শত মুরগি মারা যাচ্ছে। এতে একদিকে প্রান্তিক খামারিরা সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন, অন্যদিকে বাজারে পোল্ট্রি পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির তীব্র ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। খামারিরা জানান, জেনারেটর বা বিকল্প উপায়ে দীর্ঘ সময় বাতাস ও তাপমাত্রা ধরে রাখা সাধারণ খামারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না, ফলে তাপপ্রবাহের কারণে একের পর এক মুরগি মারা পড়ছে।
​মনোহরদীতে ব্যবসায়ীদের হাহাকার:
সরজমিনে মনোহরদীর স্থানীয় বাজারগুলো ঘুরে দেখা যায় চরম দুর্ভোগের চিত্র। বিশেষ করে সন্ধ্যা নামলেই অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ছে পুরো বাজার এলাকা। মাছ বাজারের ব্যবসায়ীদের মোমবাতি জ্বেলে কেনাবেচা করতে দেখা গেছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় পচে নষ্ট হচ্ছে মাছ ও অন্যান্য পচনশীল পণ্য। এতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে নেমে এসেছে চরম হাহাকার ও হতাশা।
​ভুক্তভোগী সাধারণ জনগণ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা সরকারের উচ্চপর্যায়ের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, যেন অনতিবিলম্বে এই বেপরোয়া ভূতুরে বিল প্রণয়ন এবং অযৌক্তিক লোডশেডিংয়ের লাগাম টানা হয়। একই সাথে, বিদ্যুৎ খাতের ভেতরের চক্রান্তকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে কঠোর শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews