
মাদক সিন্ডিকেটের দখলে বটতৈল !
কুষ্টিয়া বটতলা এক সময়ের শান্ত-সুশৃঙ্খল জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিল সেই বটতৈল ইউনিয়ন আজ পরিণত হয়েছে মাদকের অভয়ারণ্যে। ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিল-সবই এখন এখানে সহজলভ্য। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় অর্ধশত মাদক কারবারি প্রকাশ্যে ও গোপনে চালিয়ে যাচ্ছে এই ভয়ংকর ব্যবসা, আর যেন নীরব দর্শকের ভূমিকায় প্রশাসন! খাজানগর, কবুরহাট, স্বর্গপুর, জিকে খাল ও রেললাইন সংলগ্ন এলাকাগুলো এখন মাদক বেচাকেনার “নিরাপদ ঘাঁটি”। দিনের আলোতেও চলছে লেনদেন, রাত নামলেই বসছে আসর। প্রশ্ন উঠেছে এই দুঃসাহসের পেছনে কার ছত্রছায়া? ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সবচেয়ে ভয়াবহ চিত্র স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরাও এখন মাদকের সহজ শিকার। তরুণ সমাজ ধীরে ধীরে আসক্তির অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে। এ যেন একটি প্রজন্মকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার নীলনকশা! প্রতিবাদ মানেই হুমকি স্থানীয়দের অভিযোগ মাদকের বিরুদ্ধে কথা বললেই আসে হুমকি। জীবন বাঁচাতে অনেকেই চুপ।”তাহলে কি এই জনপদে সত্য বলার অধিকারও হারিয়ে গেছে? অভিযান নাটক, বাস্তবে শূন্যতা মাঝেমধ্যে ১-২ জন আটক হলেও কিছুদিন পরই তারা জামিনে বেরিয়ে আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই ‘ধরপাকড়’ কি শুধুই লোকদেখানো? মাদক সিন্ডিকেট কি আইনের ঊর্ধ্বে? সিন্ডিকেটের বিস্তার ভয়ংকর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ইউনিয়নজুড়ে একটি সুসংগঠিত মাদক চক্র সক্রিয়, যারা পাইকারি ও খুচরা উভয় পর্যায়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের নেটওয়ার্ক দিন দিন আরও শক্তিশালী হচ্ছে।
ক্ষুব্ধ জনতার প্রশ্ন :প্রশাসন কেন নীরব? জনপ্রতিনিধিরা কোথায়? আর কত পরিবার ধ্বংস হলে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে? জনগণের জোরালো দাবি চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত গ্রেফতার স্থায়ী ও কঠোর অভিযান পরিচালনা মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসন-জনপ্রতিনিধির সমন্বিত উদ্যোগ প্রতিবাদী বার্তা “বটতৈল আর কোনো মাদকের স্বর্গরাজ্য নয় এটি আমাদের ঘর, আমাদের ভবিষ্যৎ! মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে এখনই যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। নইলে ইতিহাস ক্ষমা করবে না এই নীরবতা। “চুপ থাকা মানেই সমর্থন এবার জাগাতে হবে, দাঁড়াতে হবে, প্রতিরোধ গড়তে হবে।