সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
আন্তর্জাতিক প্রেসক্লাব ট্রাস্টের লোগো উন্মোচন ও অভিষেক বাউফলে উপজেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ফেনী মুহুরী লিও ক্লাবের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও হাতের লেখা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত চাটখিল নরমাল ডেলিভারি হাসপাতালের ১ বছরের সাফল্য! রহনপুর মেডিকেল মোড়ে ভোক্তা অধিকারের কঠোর অভিযান! পাওনা টা’কা নিয়ে বিরোধ, ভাইয়ের বি’রুদ্ধে বোনকে হত্যার অভিযোগ! সিলেট জুড়ে বিদ্যুতের লোডশেডিং লাগামহীন, অতিষ্ঠ জনজীবন! দিনাজপুরে রেলওয়ে শ্রমিক-কর্মচারী দলের নবনির্বাচিত কমিটির মতবিনিময় গোমস্তাপুরে বোয়ালিয়া ইউপি গেটে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ! গাছায় সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত ব্যক্তির ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার

প্রেমের ফাঁদে ফেলে অর্থ ও স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগ  !

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬



প্রেমের ফাঁদে ফেলে অর্থ ও স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগ  !

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের মেয়ে মোছা. রোকেয়া খাতুন ঢাকায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরিরত অবস্থায় পরিচিত হন শেরপুর জেলার সদর উপজেলার পাকুরিয়া ইউনিয়নের খামারপাড়া গ্রামের আসলাম হোসেন ওরফে ডাক্কু মিয়ার ছেলে সাব্বির আহম্মেদ উসমানী (২৫)-এর সঙ্গে। পরিচয়ের একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমের সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে সাব্বির বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে রোকেয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করেন।  পরে নিজের বোনের অপারেশনের কথা বলে রোকেয়ার কাছ থেকে নগদ ৪০ হাজার টাকা নেন।  টাকা নেওয়ার পর তিনি কৌশলে শেরপুরে চলে যান এবং দীর্ঘদিন মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে আত্মগোপনে থাকেন বলে অভিযোগ করেন রোকেয়া। প্রেমিকের খোঁজে রোকেয়া শেরপুর সদর উপজেলার পাকুরিয়া ইউনিয়নে চলে আসেন। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয় আত্মীয়-স্বজন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়। একপর্যায়ে সাব্বির বিয়ের প্রস্তাব দিলে রোকেয়া তাতে সম্মতি দেন। পরে ২ লাখ টাকা কাবিনে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয় বলে জানা গেছে। বিয়ের পর সাব্বির বেকার থাকায় স্ত্রীর সঙ্গে ঢাকায় বসবাস শুরু করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় চার মাস সংসার করার পর গত ১৩ এপ্রিল স্ত্রী কর্মস্থলে থাকার সুযোগে বাসা থেকে নগদ এক লাখ টাকা ও এক ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন নিয়ে পালিয়ে যান সাব্বির। এ ঘটনায় রোকেয়া ঢাকার ভাটারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন রোকেয়া।  পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন, সাব্বির তার গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছেন। এমন সংবাদের ভিত্তিতে রোকেয়া আবারও শেরপুরে আসেন। সারাদিন বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো সমাধান না পেয়ে তিনি শেরপুর সদর থানার সহযোগিতা নেন। পুলিশ সহযোগিতায় সাব্বিরের বাড়িতে গেলে সাব্বির সেখান থেকে পালিয়ে যান। এ সময় তার শ্বশুর-শাশুড়ি কোনো সমাধান না করে উল্টো তাকে গালাগালি করে বাড়ি থেকে বের করে দেন বলে দাবি করেন রোকেয়া। পরদিন শেরপুর সদর-১ আসনের সংসদ সদস্য, আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং পাকুরিয়া ইউনিয়নের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি অবহিত করে রোকেয়া ঢাকায় ফিরে যান। এবিষয়ে রোকেয়া ২২ মে শুক্রবার জানান, ন্যায় বিচারের দাবিতে প্রশাসন ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হস্তক্ষেপ কামনা করি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews