শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
কক্সবাজারে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র অপহরণের অভিযোগ, মেঘনায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত! দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প, চিকিৎসাসেবা পেলেন ৪৬৭ জন ! শিশুদের মানবিক গুণাবলি জাগ্রত করতে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই প্রকৃতি ও পরিবেশের,প্রতি দায়িত্বশীল হয়ে গড়ে উঠতে হবে ! ঘোড়াঘাটে জুলাই শহীদ দিবস পালিত ! কক্সবাজার আদালতের উদ্যোগে একদিনে ৯২ কেটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস ! রাজধানীর উত্তরায় বাসচাপায় দুই সাংবাদিক নিহত হয়েছেন ! সুবচনী উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন আবুল মনসুর আবদুল্লা (পান্থ তালুকদার) ফাতেমা ফাইরুজের ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ !

পঞ্চগড়ে বিশাল দেহে সবার নজর কাড়ছে ৪০ মণের ‘যুবরাজ’ !

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

পঞ্চগড়ে বিশাল দেহে সবার নজর কাড়ছে ৪০ মণের ‘যুবরাজ’ !

 

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে পঞ্চগড়ে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে এক বিশালাকৃতির ষাঁড়, নাম তার ‘যুবরাজ’। নামের মতোই রাজকীয় উপস্থিতি; প্রায় ৯ ফুট উচ্চতা ও ১১ ফুট দৈর্ঘ্যের এই ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড়টির ওজন প্রায় ৪০ মণ। এমন বিশাল গড়নের গরু এক নজর দেখতে প্রতিদিনই আশপাশের এলাকা থেকে ভিড় জমাচ্ছেন কৌতূহলী মানুষ। মালিক দাম হাঁকছেন ১৫ লাখ টাকা, আর বিক্রি হলে ঘরের দেয়াল ভেঙে বের করতে হবে যুবরাজকে, এমনটাই জানালেন খামারি।

পঞ্চগড় পৌর এলাকার কাগজিয়া পাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য আবুল কাশেম ‘শিশির দুগ্ধ’ খামারে আদর-যত্নে বড় করেছেন এই বিশাল ষাঁড়টিকে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকার গরু ব্যবসায়ীরা যোগাযোগ শুরু করেছেন। যুবরাজ বিক্রি করে একটি আধুনিক ডিজিটাল খামার গড়ে তোলাই এখন তাঁর স্বপ্ন।

আবুল কাশেম জানান, ২০১৮ সালে সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পর মাত্র চারটি গরু দিয়ে শুরু হয় তাঁর খামারের পথচলা। ২০২১ সালে ফ্রিজিয়ান জাতের বীজ থেকে জন্ম নেয় যুবরাজ। শখ করে দেওয়া নামটি এখন পরিচিতি পেয়েছে জেলায় জেলায়। গত পাঁচ বছর ধরে প্রতিদিন প্রায় ২০ কেজি দানাদার খাবার খাইয়ে তাকে লালন-পালন করা হয়েছে। কোনো ধরনের মোটাতাজাকরণ খাদ্য ব্যবহার করা হয়নি। এবারের কোরবানিতেই যুবরাজ বিক্রি হবে, এমন প্রত্যাশা খামারির।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুস সালাম বলেন, “আমাদের গ্রামে এমন বিশাল গরু আছে, এটা আগে কল্পনাও করিনি। আবুল কাশেমের সাফল্য দেখে আমরাও খামার গড়ার স্বপ্ন দেখছি।” পঞ্চগড় সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মরিয়ম রহমান জানান, যুবরাজকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। প্রাণিসম্পদ বিভাগের সার্বিক সহায়তায় ষাঁড়টি লালন-পালন করা হয়েছে। তিনি বলেন, পঞ্চগড়ের প্রেক্ষাপটে গবাদিপশু পালন একটি লাভজনক উদ্যোগ; স্বল্প জায়গায় ঘর তৈরি করেই অনেকেই খামার গড়ে তুলতে পারেন। এই খাতে নারীদের অংশগ্রহণও বাড়ছে। রাজকীয় দেহভঙ্গি আর যত্নে গড়া দীর্ঘ লালনের গল্প নিয়ে যুবরাজ এখন শুধু একটি ষাঁড় নয়; পঞ্চগড়ের খামারি সম্ভাবনার এক উজ্জ্বল প্রতীক।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews