শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর দুই দেশের সম্পর্ক উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত করবে —জহির উদ্দিন স্বপন বান্দরবানের লামা উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তার বিদায়ী সংবর্ধনা সুনামগঞ্জে দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন এমপি নুরুল দুই শতাধিক সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে হত্যা রহস্য উদ্‌ঘাটন, গ্রেপ্তার ৭ জৈন্তাপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ৩ কক্সবাজারের ইনানীতে রিসোর্টে আগুন, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ পুজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন বিজিবি রংপুর রিজিয়নের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার কর্নেল ফয়সাল সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা দেবে ৮১২১ শিক্ষার্থী মানবিক উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের জন্য অর্ধেক ভাড়ার ঘোষণা তরুণ নোমানের! প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে এসিল্যান্ড ও পৌর প্রশাসককে বিদায়ী সংবর্ধনা

শেরপুরে এক সংখ্যালঘু পরিবারের আর্তনাদ “আমার ঘর ভেঙে দিয়েন না” !

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬



শেরপুরে এক সংখ্যালঘু পরিবারের আর্তনাদ “আমার ঘর ভেঙে দিয়েন না” !

 

শেরপুর জেলা শহরের পৌরসভার ঢাকলহাটি মহল্লার বাসিন্দা মৃত দীনেশ চন্দ্র নন্দীর স্ত্রী লক্ষ্মী রানী নন্দী (৮০) কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার একটি মাত্র ছেলে ছাড়া এই পৃথিবীতে আর কেউ নেই। আমাদের পৈত্রিক বসতভিটার ভাঙাচোরা ঘরটুকু দয়া করে কেড়ে নেবেন না।”

অভিযোগ উঠেছে, এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি আলহাজ হোসেন আলী মোল্লা ও তার ছেলে রমজান আলী মোল্লার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অনেকেই অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না কেউ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঢাকলহাটি মহল্লায় পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত প্রায় ১৪.৫ শতাংশ জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন লক্ষ্মী রানী নন্দী ও তার পরিবার। জমিটির খতিয়ান নম্বর ৩৮৫ এবং বিআরএস দাগ নম্বর ১২৭৩, ১২৭৪ ও ১২৭৬। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ওই জমির ওপর দীর্ঘদিন ধরেই কুনজর পড়ে আলহাজ হোসেন আলী মোল্লা ও তার ছেলে রমজান আলী মোল্লার।

অসহায় এই সংখ্যালঘু পরিবারকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। কখনো মিথ্যা মামলা, কখনো বিভিন্ন অভিযোগ দিয়ে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।

লক্ষ্মী রানী নন্দীর একমাত্র ছেলে পানেশ চন্দ্র নন্দী স্থানীয় একটি দোকানে কাজ করে কোনোমতে সংসার চালান। বৃদ্ধ মাকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলেও জানান তিনি। পরিবারের অভিযোগ, তাদের আর্থিক অসচ্ছলতার সুযোগ নিয়ে প্রতিপক্ষ বারবার মামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করার চেষ্টা করছে। সর্বশেষ গত ১ মার্চ ২০২৬ তারিখে লক্ষ্মী রানী নন্দী ও তার ছেলে পানেশ চন্দ্র নন্দী শেরপুর পৌরসভার দ্বারস্থ হলে পৌর কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে জমি পরিমাপ করে তাদের দখল বুঝিয়ে দেন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা। এরপরও নির্যাতন ও চাপ অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ তাদের। ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, বিষয়টি নিয়ে শেরপুর শহরের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেও প্রভাব ও আর্থিক সামর্থ্যের কাছে তারা বারবার অসহায় হয়ে পড়ছেন।

ধারাবাহিক সংবাদের আজ প্রথম পর্ব।

বিস্তারিত জানতে সঙ্গে থাকুন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews