সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
আন্তর্জাতিক প্রেসক্লাব ট্রাস্টের লোগো উন্মোচন ও অভিষেক বাউফলে উপজেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ফেনী মুহুরী লিও ক্লাবের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও হাতের লেখা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত চাটখিল নরমাল ডেলিভারি হাসপাতালের ১ বছরের সাফল্য! রহনপুর মেডিকেল মোড়ে ভোক্তা অধিকারের কঠোর অভিযান! পাওনা টা’কা নিয়ে বিরোধ, ভাইয়ের বি’রুদ্ধে বোনকে হত্যার অভিযোগ! সিলেট জুড়ে বিদ্যুতের লোডশেডিং লাগামহীন, অতিষ্ঠ জনজীবন! দিনাজপুরে রেলওয়ে শ্রমিক-কর্মচারী দলের নবনির্বাচিত কমিটির মতবিনিময় গোমস্তাপুরে বোয়ালিয়া ইউপি গেটে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ! গাছায় সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত ব্যক্তির ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার

শেরপুরে এক সংখ্যালঘু পরিবারের আর্তনাদ “আমার ঘর ভেঙে দিয়েন না” !

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬



শেরপুরে এক সংখ্যালঘু পরিবারের আর্তনাদ “আমার ঘর ভেঙে দিয়েন না” !

 

শেরপুর জেলা শহরের পৌরসভার ঢাকলহাটি মহল্লার বাসিন্দা মৃত দীনেশ চন্দ্র নন্দীর স্ত্রী লক্ষ্মী রানী নন্দী (৮০) কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার একটি মাত্র ছেলে ছাড়া এই পৃথিবীতে আর কেউ নেই। আমাদের পৈত্রিক বসতভিটার ভাঙাচোরা ঘরটুকু দয়া করে কেড়ে নেবেন না।”

অভিযোগ উঠেছে, এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি আলহাজ হোসেন আলী মোল্লা ও তার ছেলে রমজান আলী মোল্লার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অনেকেই অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না কেউ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঢাকলহাটি মহল্লায় পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত প্রায় ১৪.৫ শতাংশ জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন লক্ষ্মী রানী নন্দী ও তার পরিবার। জমিটির খতিয়ান নম্বর ৩৮৫ এবং বিআরএস দাগ নম্বর ১২৭৩, ১২৭৪ ও ১২৭৬। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ওই জমির ওপর দীর্ঘদিন ধরেই কুনজর পড়ে আলহাজ হোসেন আলী মোল্লা ও তার ছেলে রমজান আলী মোল্লার।

অসহায় এই সংখ্যালঘু পরিবারকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। কখনো মিথ্যা মামলা, কখনো বিভিন্ন অভিযোগ দিয়ে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।

লক্ষ্মী রানী নন্দীর একমাত্র ছেলে পানেশ চন্দ্র নন্দী স্থানীয় একটি দোকানে কাজ করে কোনোমতে সংসার চালান। বৃদ্ধ মাকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলেও জানান তিনি। পরিবারের অভিযোগ, তাদের আর্থিক অসচ্ছলতার সুযোগ নিয়ে প্রতিপক্ষ বারবার মামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করার চেষ্টা করছে। সর্বশেষ গত ১ মার্চ ২০২৬ তারিখে লক্ষ্মী রানী নন্দী ও তার ছেলে পানেশ চন্দ্র নন্দী শেরপুর পৌরসভার দ্বারস্থ হলে পৌর কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে জমি পরিমাপ করে তাদের দখল বুঝিয়ে দেন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা। এরপরও নির্যাতন ও চাপ অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ তাদের। ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, বিষয়টি নিয়ে শেরপুর শহরের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেও প্রভাব ও আর্থিক সামর্থ্যের কাছে তারা বারবার অসহায় হয়ে পড়ছেন।

ধারাবাহিক সংবাদের আজ প্রথম পর্ব।

বিস্তারিত জানতে সঙ্গে থাকুন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews