শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
কক্সবাজারে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র অপহরণের অভিযোগ, মেঘনায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত! দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প, চিকিৎসাসেবা পেলেন ৪৬৭ জন ! শিশুদের মানবিক গুণাবলি জাগ্রত করতে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই প্রকৃতি ও পরিবেশের,প্রতি দায়িত্বশীল হয়ে গড়ে উঠতে হবে ! ঘোড়াঘাটে জুলাই শহীদ দিবস পালিত ! কক্সবাজার আদালতের উদ্যোগে একদিনে ৯২ কেটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস ! রাজধানীর উত্তরায় বাসচাপায় দুই সাংবাদিক নিহত হয়েছেন ! সুবচনী উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন আবুল মনসুর আবদুল্লা (পান্থ তালুকদার) ফাতেমা ফাইরুজের ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ !

শেরপুরে পাহাড়ি ঢলের পূর্বাভাস ঝুঁকিতে সীমান্তবর্তী জনপদ !

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

শেরপুরে পাহাড়ি ঢলের পূর্বাভাস ঝুঁকিতে সীমান্তবর্তী জনপদ !

 

মেঘালয় সীমান্তঘেঁষা শেরপুরের নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড় এলাকায় নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মধ্যে নালিতাবাড়ীর চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় নিম্নাঞ্চলের কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যার পর হঠাৎ পাহাড়ি ঢল নামার খবর পাওয়া গেলে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। স্থানীয় সূত্র ও পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, মেঘালয়ের উজানে টানা ভারী বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে বুধবার সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদীর বাঁধের কয়েকটি স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে কিছু দিনের মধ্যে বড় ধরনের ঢল নামতে পারে। বর্তমানে নালিতাবাড়ীর ভোগাই ও চেল্লাখালী, ঝিনাইগাতীর মহারশি এবং শ্রীবরদীর সোমেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, চেল্লাখালী নদীর বিপদসীমা ২১ দশমিক ৯৪ মিটার হলেও বর্তমানে পানি প্রবাহিত হচ্ছে প্রায় ২৩ দশমিক ৫৪ মিটার উচ্চতায়। নাকুগাঁও ও নালিতাবাড়ী পয়েন্টে পানি এখনো বিপদসীমার নিচে থাকলেও ক্রমেই বাড়ছে। এছাড়া মহারশি ও সোমেশ্বরী নদীর পানিও বিপদসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। তবে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের পানি এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত কুমার ধর জানান,  চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমার প্রায় ৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। রাতের বৃষ্টি ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews