1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
শেরপুরে পাহাড়ি ঢলের পূর্বাভাস ঝুঁকিতে সীমান্তবর্তী জনপদ ! - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ০১:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
শরীয়তপুরে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ! চৌদ্দগ্রামে ছাত্রদলকে সু-সংগঠিত ও গতিশীল করতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ! চাটখিলে স্ত্রীর পরকীয়া ও পলায়নের ঘটনায় স্বামীর আত্মহত্যা! পিতা-মাতার ভরণপোষণ সন্তানের ধর্মীয় আইনি নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব।  কুমিল্লায় (১০বিজিবি)র অভিযানে ১৯ হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক!  কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের জায়গা দখলের চেষ্টা, পুলিশের অভিযানে উচ্ছেদ!  ডেঙ্গু প্রতিরোধে শরীয়তপুরে সচেতনতামূলক র‍্যালি।  চাটখিলে গ্রাম আদালত সম্পর্কিত জনসচেতনতা মূলক কর্মশালা।  কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং আতংকে সাধারণ মানুষ !  চৌদ্দগ্রামে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে প্রাণ গেল দুই মোটরসাইকেল আরোহীর।

শেরপুরে পাহাড়ি ঢলের পূর্বাভাস ঝুঁকিতে সীমান্তবর্তী জনপদ !

সাফিজল হক তানভীর, শেরপুর
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

শেরপুরে পাহাড়ি ঢলের পূর্বাভাস ঝুঁকিতে সীমান্তবর্তী জনপদ !

 

মেঘালয় সীমান্তঘেঁষা শেরপুরের নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড় এলাকায় নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মধ্যে নালিতাবাড়ীর চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় নিম্নাঞ্চলের কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যার পর হঠাৎ পাহাড়ি ঢল নামার খবর পাওয়া গেলে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। স্থানীয় সূত্র ও পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, মেঘালয়ের উজানে টানা ভারী বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে বুধবার সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদীর বাঁধের কয়েকটি স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে কিছু দিনের মধ্যে বড় ধরনের ঢল নামতে পারে। বর্তমানে নালিতাবাড়ীর ভোগাই ও চেল্লাখালী, ঝিনাইগাতীর মহারশি এবং শ্রীবরদীর সোমেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, চেল্লাখালী নদীর বিপদসীমা ২১ দশমিক ৯৪ মিটার হলেও বর্তমানে পানি প্রবাহিত হচ্ছে প্রায় ২৩ দশমিক ৫৪ মিটার উচ্চতায়। নাকুগাঁও ও নালিতাবাড়ী পয়েন্টে পানি এখনো বিপদসীমার নিচে থাকলেও ক্রমেই বাড়ছে। এছাড়া মহারশি ও সোমেশ্বরী নদীর পানিও বিপদসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। তবে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের পানি এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত কুমার ধর জানান,  চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমার প্রায় ৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। রাতের বৃষ্টি ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট