
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৩৯ সদস্যবিশিষ্ট উপজেলা কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে।
গত রোববার (২৬ এপ্রিল) কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকতারুজ্জামান সরকার ও সদস্য সচিব এফএম তারেক মুন্সীর স্বাক্ষরিত প্যাডে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন কমিটি ঘোষণাকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
এর ধারাবাহিকতায় সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১১টায় মেঘনা উপজেলার বিআরটিসি মোড় থেকে মানিকারচর বাজার পর্যন্ত একটি আনন্দ মিছিল বের করা হয়। পরে মানিকারচর লাল মিয়া লতিফ সরকার মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা ও মিষ্টি বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
নবগঠিত কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ রমিজ উদ্দিন লন্ডনী, সদস্য সচিব করা হয়েছে এম. এম. মিজানুর রহমান এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ সালাউদ্দিন সরকার। এছাড়া যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে সলিমউল্লাহ মোহাম্মদ, মোঃ জয়নাল আবেদীন সরকার, দিলারা শিরিন, ডা. আবুল কাইয়ুম, অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম, প্রফেসর মোঃ শহিদুল ইসলাম, মোঃ আব্দুর গফফার, মোঃ আমিনুর রহমান, মোঃ আব্দুল মতিন, মোঃ হুমায়ুন কবির, মোঃ আবু ইউসুফ নয়ন, মোঃ আব্দুল কাদির, মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, প্রফেসর মোঃ হাবিবুর রহমান ও মোঃ জহিরুল ইসলামসহ মোট ১৮ জন দায়িত্ব পেয়েছেন। কমিটিতে সম্মানিত সদস্য হিসেবে সাবেক চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন মোঃ শহিদুল্লাহ সরকার, আবুল বাশার, অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম, গোলাম মহিউদ্দিন মোহন, নুর মোহাম্মদ, মোঃ অহিদুজ্জামান, মোঃ মিলন মেম্বার, অ্যাডভোকেট মোঃ কামরুজ্জামান, মোঃ সালাউদ্দিন মোল্লা, ডা. হাবিব উল্লাহ, ডা. শাহাব উদ্দিন, মোঃ মাকসুদ, আব্দুল মালেক, মোঃ জাকির হোসেন, আব্দুল গফফার, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ মনির হোসেন মেম্বার, মোঃ বাহাউদ্দিন হাউদ, মোঃ বাবুল সরকার ও মোঃ আলম চানসহ মোট ৩৯ জন।
কমিটি অনুমোদনের পর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয় এবং সাধারণ মানুষের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা দলীয় স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলেন। তারা বলেন, নতুন এই কমিটির মাধ্যমে তৃণমূল সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে এবং ভবিষ্যতের আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নবগঠিত কমিটির নেতারা জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশনা অনুযায়ী সংগঠনকে সুসংগঠিত করা, তৃণমূলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলন জোরদার করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।