1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
শিবালয়ে মিরাজ হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিদের আড়ালে রেখে মামলা: অভিযোগ নিহতের পরিবারের - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
চকরিয়া-পেকুয়ায় প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি, স্থান পরিদর্শনে স্বরা সচিব ! রংপুর বিভাগে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নীলফামারীর মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান ! যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন মেহেন্দিগঞ্জের কৃতি সন্তান মিজানুর রহমান সুমন ! নীলফামারী সরকারি কলেজের উদ্দ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান ! শরীয়তপুরের রুবেল মোল্লা আবেগঘন স্ট্যাটাসে নিজের সাংবাদিকতা জীবন ও অবস্থান তুলে ধরলেন  নয়াদিল্লির আবাসিক হোটেলে আগুনে নিহত কুমিল্লার নুরুল আমিন।  বাউফলে একই পরিবারের তিন প্রতিবন্ধী সহোদরের পাশে দাঁড়াল বিএনপি।  পরিবেশ ও প্রকৃতির সুরক্ষায় আমাদের করণীয় ! মেঘনায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক-রোগীর স্বজনদের সংঘর্ষ, থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ! প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঈদুল আযহার ঈদ উপহার অর্থ ফেরত দেওয়া হবে না বললেন জেলা প্রশাসক নীলফামারী।

শিবালয়ে মিরাজ হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিদের আড়ালে রেখে মামলা: অভিযোগ নিহতের পরিবারের

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে বালু মহালের বিরোধকে কেন্দ্র করে মিরাজ হোসেন (৪০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের পরিবার মূল আসামিদের আড়ালের চেষ্টার অভিযোগ এনেছেন। গত ৩ এপ্রিল শিবালয়ের যমুনা নদীর চরাঞ্চল আলোকদিয়ায় গুলি ও কুপিয়ে মিরাজকে হত্যা করা হয়। তিনি পাবনার চর সাহাদিয়ার বাসিন্দা এবং তেওতা বালু মহালের ম্যানেজার ছিলেন। পরিবারের দাবি, ঘটনার দিনেই নিহতের বড় ছেলে তারেক শিবালয় থানায় অজ্ঞাতনামা অভিযোগ করেন। কিন্তু দুইদিন পর (৫ এপ্রিল) স্থানীয় বালু মহালের ঠিকাদার কাউছার আলম খান বাদী হয়ে নতুন করে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা নং-৬ দায়ের করেন। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, টাকা ও ক্ষমতার দাপটে তাদের লিখিত অভিযোগ এজাহার হিসেবে রেকর্ড করা হয়নি। নিহতের ছেলে তারেক বলেন, “আমরা ঘটনার দিনই থানায় ছিলাম। কাউসার আলম ঘটনাস্থলে ছিলেন না, তিনি কিভাবে বাদী হন? আমার বাবা তাঁর সাথে কাজও করতেন না। আমাদের অজ্ঞাতনামা অভিযোগ রেকর্ড না করে তাকে বাদী বানানো হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, মামলায় সিরাজগঞ্জের কিছু লোককে আসামি করা হলেও তাদের সঙ্গে বাবার কোনো শত্রুতা ছিল না। বরং কাউসার আলমের লোক শামীম ফকিরের সাথে স্পিডবোট নিয়ে ঝামেলার জেরেই বাবা ভয়ে থাকতেন এবং পালিয়ে পালিয়ে ওখানে যেতেন। পরিবারের দাবি, প্রতি সপ্তাহে ২৫-৩০ হাজার টাকা চাঁদা না দেওয়াতেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। নিহতের বড় ছেলে তারেক প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়ে বলেন, “নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত খুনিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।” নিহতের পরিবার আশঙ্কা করছে, স্থানীয় প্রভাবশালী মহল মূল আসামিদের আড়াল করতে চাইছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট