
রংপুর মহানগরীর কোতয়ালী থানাধীন এলাকায় প্রকাশ্যে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার কয়েকদিন পার হলেও পুলিশি তৎপরতা দৃশ্যমান না হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তারা নগরীর পশ্চিম বাবুখা এলাকার বাসিন্দা।
ভুক্তভোগীর স্ত্রী মলি আক্তারের দায়েরকৃত অভিযোগে জানা যায় যে, তার স্বামী রাকিবুল হাসানকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে গত ২২ মার্চ ঈদের পরদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দোলাপাড়া রাস্তার মোড়ে একদল সন্ত্রাসী আটক করে।অভিযুক্তদের মধ্যে হাসানুর রহমান ওরফে রিংকু, হাসান, মামুন, মুরাদ, তুষারসহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা অধিকাংশই গনেপুর এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগে বলা হয়, পারিবারিক বিরোধের জেরে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছিল আসামিরা, ঘটনার দিন তারা রাকিবুল হাসানকে ঘিরে ফেলে প্রথমে মারধর করে এবং পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এক পর্যায়ে প্রধান অভিযুক্ত আসামি খুর দিয়ে তার গলায় ও পেটে আঘাত করলে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয় এবং নাড়িভুঁড়ি বেরিয়ে আসে। এ সময় অন্য আসামিরা হামলায় সহায়তা ও উৎসাহ দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া হামলার সময় ভুক্তভোগীর পকেট থেকে প্রায় ৫৫ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেও আসামিরা মামলা না করার জন্য হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এতে পরিবারটি চরম ভীতির মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
এদিকে, এ ঘটনার কয়েকদিন অতিবাহিত হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যেও উদ্বেগ বিরাজ করছে। দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারসহ স্থানীয়রা।
এ ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।