গাইবান্ধা গাইবান্ধা জেলা কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টস সমিতির ৪ দফা দাবি আদায়ে উত্তাল হয়ে উঠেছে জেলা শহর। রোববার শহরের ডিবি রোডস্থ গানাসাস মার্কেটের সামনে আয়োজিত এক বিশাল মানববন্ধনে ওষুধ ব্যবসায়ীরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, দাবি বাস্তবায়িত না হলে জেলার সকল ওষুধের দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হবে।
মানববন্ধন ও জনদুর্ভোগের শঙ্কা: রোববার সকালে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে জেলার বিপুল সংখ্যক ওষুধ ব্যবসায়ী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তারা বর্তমান সংকট নিরসনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং সাধারণ মানুষের মাঝে তাদের দাবিসম্বলিত লিফলেট বিতরণ করেন। ব্যবসায়ীরা জানান, রোগীদের সেবার কথা বিবেচনা করে তারা এখনো দোকান খোলা রেখেছেন, তবে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে কঠোর কর্মসূচি পালন করতে বাধ্য হবেন। আন্দোলনরত ব্যবসায়ীদের মূল দাবিগুলো হলো:
১. জেলা শাখার কথিত ‘অবৈধ’ আহ্বায়ক কমিটির সকল কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করা। ২. বাতিলকৃত আহ্বায়ক কমিটির সকল সদস্যের সদস্যপদ আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা। ৩. গাইবান্ধাসহ বিভিন্ন জেলায় অবৈধ কমিটি গঠনের মূল কারিগর রংপুরের আব্দুল কাদের ও নীলফামারীর সবুজসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সাধারণ সদস্যদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। ৪. সাংগঠনিক নিয়ম অনুসরণ করে এবং প্রশাসনের নিবিড় তদারকির মাধ্যমে দ্রুত একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ওষুধ ব্যবসায়ী আবু সাঈদ শিমুল, শরিফুল কবির রনি, রেজাউল করিম তাজু, জিল্লুর রহমান মাসুম, মো. আলমগীর কবির এবং রেজা তৌফিকুর রহমান রানা। এছাড়াও বক্তব্য দেন মো. জাফর ছাদেক, শহিদুর রহমান মিঠু, ফারুক আহম্মেদ বিপ্লব, মো. সেলিম মিয়া, মো. মাহফুজার রহমান, মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন ও মো. আমজাদ হোসেন প্রমুখ। বক্তারা বলেন, “একটি স্বার্থান্বেষী মহল সংগঠনের নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে কমিটি গঠন করে সাধারণ ব্যবসায়ীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করছে। অবিলম্বে এই পকেট কমিটি বাতিল করে নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করতে হবে। অন্যথায় ওষুধের মতো জরুরি সেবা বন্ধ রেখে আমরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।”