1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
দখলদারদের দিন শেষ! তিতাস রক্ষায় রণক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
​আউটসোর্সিং প্রথা বিলুপ্ত করে সরাসরি স্থায়ী নিয়োগের দাবি: সংবাদ সম্মেলন ও ৭ দফা প্রস্তাবনা পেশ ! রাজনীতি এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায়ে রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন- এমপি ফজলুল হক মিলন! আড়াইহাজারে ৭ বছরের শিশু ধর্ষণ, আটক ২ ভাইস চেয়ারম্যান পদে দোয়া ও সমর্থন চান সাইফুল ইসলাম রুদ্র নবম পে স্কেল ঘোষণার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বাউফলে ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের বাজেট ভাবনা নিয়ে নাগরিক সংবাদ সম্মেলন!  চকরিয়ায় প্রধান মন্ত্রী আসছেন আজ: সমাবেশ স্থল পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন জনগণের সম্পদ, এটা নিয়ে রাজনীতি করবেন না: ডা. জাহিদ হোসেন ভেদরগঞ্জে স্ট্রেটআপ প্রজেক্টের প্রদশনী অনুষ্ঠিত!  জ্ঞানভিত্তিক প্রজন্মকে তৈরি করার কাজটাকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি!

দখলদারদের দিন শেষ! তিতাস রক্ষায় রণক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার

​শেখ সাদী সুমন , ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বুক চিরে বয়ে যাওয়া ঐতিহাসিক তিতাস নদী কি তবে ফিরছে তার পুরনো যৌবনে? দখলবাজ আর দূষণকারীদের রাজত্ব গুঁড়িয়ে দিতে এবার সরাসরি মাঠে নেমেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা নদী রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক শারমিন আক্তার জাহান। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) তিতাস নদীর তপ্ত দুপুরে তাঁর এই ঝটিকা পরিদর্শন ও কঠোর হুঁশিয়ারি দখলদারদের হৃদকম্পন বাড়িয়ে দিয়েছে।
​সব হবে সাফ: উচ্ছেদ থেকে খনন​পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসকের চোখেমুখে ছিল নদী উদ্ধারের দৃঢ় প্রত্যয়। শুধু পরিদর্শন নয়, বরং অ্যাকশন প্ল্যান নিয়ে মাঠে নেমেছেন তিনি। তাঁর নির্দেশে শুরু হচ্ছে:
​দখলদারদের ব্ল্যাকলিস্ট: কারা নদী গিলে খাচ্ছে, তাদের নামের তালিকা তৈরি হচ্ছে। কোনো প্রভাব খাটবে না, সরাসরি চলবে উচ্ছেদ।
​সীমানায় হানা: প্লাবনভূমি দখল করে যারা স্থাপনা গড়েছেন, তাদের জন্য দুঃসংবাদ—খুব শীঘ্রই সেখানে বুলডোজারের গর্জন শোনা যাবে।​ময়লার ভাগাড় মুক্ত তিতাস: নদীকে যারা ডাস্টবিন বানিয়েছেন, তাদের রুখতে এবং জমাটবদ্ধ কচুরিপানা ও আবর্জনা সরাতে নেওয়া হচ্ছে মেগা পরিকল্পনা।​একজোট প্রশাসন: কাউকেই ছাড় নয়এদিন জেলা প্রশাসনের সাথে কোমর বেঁধে মাঠে নামে জেলা পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পৌরসভা। জেলা প্রশাসক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিতাসকে বাঁচাতে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। সাংবাদিক ও নদীকর্মীদের সাক্ষী রেখে তিনি ঘোষণা করেন, জেলার প্রতিটি খাল ও নদী উদ্ধারে চলবে ‘অল-আউট’ অপারেশন।
​”তিতাস আমাদের মা, আর এই মাকে যারা তিলে তিলে মারছে তাদের রেহাই নেই। প্রশাসন, পুলিশ আর জনতা এক হয়েছে—এবার দখলদারদের পালানোর পথ থাকবে না।” > — পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসকের কড়া বার্তা।
​ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, প্রশাসনের এই “গরম” মেজাজ যদি শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে, তবেই তিতাস আবার প্রাণ ফিরে পাবে। এখন দেখার বিষয়, ডিসির এই হুঙ্কারের পর নদী খেকোরা কতক্ষণ টিকে থাকতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট