মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
কালিহাতীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময় সভা বাউফলে প্রধানমন্ত্রীর ছবির উপর অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ লেখার অভিযোগ ঘোড়াঘাটে হারপেস ইনফেকশন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সাইন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠানে আউটসোর্সিং প্রথা বিলুপ্ত ও চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে রাজপথে নামার আলটিমেটাম অসুস্থ ও অসহায় পরিবারের  পাশে দাঁড়ানোর   আহ্বান, এমপি কাজলের ! হাটহাজারীতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, কমিউনিটি সেন্টারকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা !  নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ও পুনঃতফসিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন শেরপুরে জোর পূর্বক জমি দখলের চেষ্টা আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা নিশ্চিতে নির্ভুল তথ্যভাণ্ডার গড়ার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

দখলদারদের দিন শেষ! তিতাস রক্ষায় রণক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বুক চিরে বয়ে যাওয়া ঐতিহাসিক তিতাস নদী কি তবে ফিরছে তার পুরনো যৌবনে? দখলবাজ আর দূষণকারীদের রাজত্ব গুঁড়িয়ে দিতে এবার সরাসরি মাঠে নেমেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা নদী রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক শারমিন আক্তার জাহান। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) তিতাস নদীর তপ্ত দুপুরে তাঁর এই ঝটিকা পরিদর্শন ও কঠোর হুঁশিয়ারি দখলদারদের হৃদকম্পন বাড়িয়ে দিয়েছে।
​সব হবে সাফ: উচ্ছেদ থেকে খনন​পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসকের চোখেমুখে ছিল নদী উদ্ধারের দৃঢ় প্রত্যয়। শুধু পরিদর্শন নয়, বরং অ্যাকশন প্ল্যান নিয়ে মাঠে নেমেছেন তিনি। তাঁর নির্দেশে শুরু হচ্ছে:
​দখলদারদের ব্ল্যাকলিস্ট: কারা নদী গিলে খাচ্ছে, তাদের নামের তালিকা তৈরি হচ্ছে। কোনো প্রভাব খাটবে না, সরাসরি চলবে উচ্ছেদ।
​সীমানায় হানা: প্লাবনভূমি দখল করে যারা স্থাপনা গড়েছেন, তাদের জন্য দুঃসংবাদ—খুব শীঘ্রই সেখানে বুলডোজারের গর্জন শোনা যাবে।​ময়লার ভাগাড় মুক্ত তিতাস: নদীকে যারা ডাস্টবিন বানিয়েছেন, তাদের রুখতে এবং জমাটবদ্ধ কচুরিপানা ও আবর্জনা সরাতে নেওয়া হচ্ছে মেগা পরিকল্পনা।​একজোট প্রশাসন: কাউকেই ছাড় নয়এদিন জেলা প্রশাসনের সাথে কোমর বেঁধে মাঠে নামে জেলা পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পৌরসভা। জেলা প্রশাসক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিতাসকে বাঁচাতে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। সাংবাদিক ও নদীকর্মীদের সাক্ষী রেখে তিনি ঘোষণা করেন, জেলার প্রতিটি খাল ও নদী উদ্ধারে চলবে ‘অল-আউট’ অপারেশন।
​”তিতাস আমাদের মা, আর এই মাকে যারা তিলে তিলে মারছে তাদের রেহাই নেই। প্রশাসন, পুলিশ আর জনতা এক হয়েছে—এবার দখলদারদের পালানোর পথ থাকবে না।” > — পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসকের কড়া বার্তা।
​ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, প্রশাসনের এই “গরম” মেজাজ যদি শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে, তবেই তিতাস আবার প্রাণ ফিরে পাবে। এখন দেখার বিষয়, ডিসির এই হুঙ্কারের পর নদী খেকোরা কতক্ষণ টিকে থাকতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews