1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
দখলদারদের দিন শেষ! তিতাস রক্ষায় রণক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
কালিহাতীতে ফিলিং স্টেশনে বিক্রি বন্ধ রেখে তেল মজুত, জরিমানা  হাটহাজারীতে সড়কে গেইট স্থাপন নিয়ে বিতর্ক, নিরাপত্তার যুক্তি বিবাদীর! ‎রংপুরে দুঃসাহসিক হামলা: প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা, নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার  পাবনা প্রেসক্লাবে সতীর্থদের সাথে প্রাণবন্ত আড্ডা দিলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পাবনায় ভাইরাসজনিত ছোঁয়াচে রোগ হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে ॥ আক্রান্ত ২৭ শেবন্দী ফুটবল প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত মেঘনায় ওরশের বিরোধে যুবক নিহত: থানায় হত্যা মামলার এজাহার দাখিল দখলের ধকলে মৃত প্রায় প্রমত্তা করতোয়া– অস্তিত্ব সংকটে বাঙালী দেলোয়ার-সভাপতি, হামিদ-সম্পাদক চন্দনাইশ প্রেস ক্লাবের কার্যকরি পরিষদ গঠন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৩

দখলদারদের দিন শেষ! তিতাস রক্ষায় রণক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার

​শেখ সাদী সুমন , ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বুক চিরে বয়ে যাওয়া ঐতিহাসিক তিতাস নদী কি তবে ফিরছে তার পুরনো যৌবনে? দখলবাজ আর দূষণকারীদের রাজত্ব গুঁড়িয়ে দিতে এবার সরাসরি মাঠে নেমেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা নদী রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক শারমিন আক্তার জাহান। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) তিতাস নদীর তপ্ত দুপুরে তাঁর এই ঝটিকা পরিদর্শন ও কঠোর হুঁশিয়ারি দখলদারদের হৃদকম্পন বাড়িয়ে দিয়েছে।
​সব হবে সাফ: উচ্ছেদ থেকে খনন​পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসকের চোখেমুখে ছিল নদী উদ্ধারের দৃঢ় প্রত্যয়। শুধু পরিদর্শন নয়, বরং অ্যাকশন প্ল্যান নিয়ে মাঠে নেমেছেন তিনি। তাঁর নির্দেশে শুরু হচ্ছে:
​দখলদারদের ব্ল্যাকলিস্ট: কারা নদী গিলে খাচ্ছে, তাদের নামের তালিকা তৈরি হচ্ছে। কোনো প্রভাব খাটবে না, সরাসরি চলবে উচ্ছেদ।
​সীমানায় হানা: প্লাবনভূমি দখল করে যারা স্থাপনা গড়েছেন, তাদের জন্য দুঃসংবাদ—খুব শীঘ্রই সেখানে বুলডোজারের গর্জন শোনা যাবে।​ময়লার ভাগাড় মুক্ত তিতাস: নদীকে যারা ডাস্টবিন বানিয়েছেন, তাদের রুখতে এবং জমাটবদ্ধ কচুরিপানা ও আবর্জনা সরাতে নেওয়া হচ্ছে মেগা পরিকল্পনা।​একজোট প্রশাসন: কাউকেই ছাড় নয়এদিন জেলা প্রশাসনের সাথে কোমর বেঁধে মাঠে নামে জেলা পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পৌরসভা। জেলা প্রশাসক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিতাসকে বাঁচাতে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। সাংবাদিক ও নদীকর্মীদের সাক্ষী রেখে তিনি ঘোষণা করেন, জেলার প্রতিটি খাল ও নদী উদ্ধারে চলবে ‘অল-আউট’ অপারেশন।
​”তিতাস আমাদের মা, আর এই মাকে যারা তিলে তিলে মারছে তাদের রেহাই নেই। প্রশাসন, পুলিশ আর জনতা এক হয়েছে—এবার দখলদারদের পালানোর পথ থাকবে না।” > — পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসকের কড়া বার্তা।
​ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, প্রশাসনের এই “গরম” মেজাজ যদি শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে, তবেই তিতাস আবার প্রাণ ফিরে পাবে। এখন দেখার বিষয়, ডিসির এই হুঙ্কারের পর নদী খেকোরা কতক্ষণ টিকে থাকতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট