মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
কালিহাতীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময় সভা বাউফলে প্রধানমন্ত্রীর ছবির উপর অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ লেখার অভিযোগ ঘোড়াঘাটে হারপেস ইনফেকশন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সাইন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠানে আউটসোর্সিং প্রথা বিলুপ্ত ও চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে রাজপথে নামার আলটিমেটাম অসুস্থ ও অসহায় পরিবারের  পাশে দাঁড়ানোর   আহ্বান, এমপি কাজলের ! হাটহাজারীতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, কমিউনিটি সেন্টারকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা !  নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ও পুনঃতফসিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন শেরপুরে জোর পূর্বক জমি দখলের চেষ্টা আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা নিশ্চিতে নির্ভুল তথ্যভাণ্ডার গড়ার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

পঞ্চগড়ের দুই আসনে ১১ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
নির্বাচনের ময়দান যতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতার, ততটাই তা বাস্তবতার নির্মম হিসাবের। পঞ্চগড় জেলার দুইটি সংসদীয় আসনে সেই হিসাব কষে দিয়েছে ভোটের বাক্স। মোট ১৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ১১ জন প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যা অর্জন করতে না পারায় জামানত হারিয়েছেন। এর মধ্যে পঞ্চগড়-১ আসনে ৫ জন এবং পঞ্চগড়-২ আসনে ৬ জন প্রার্থী রয়েছেন।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন-এর বিধি অনুযায়ী, প্রদত্ত মোট ভোটের এক অষ্টমাংশের কম ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এবারের সংসদ সদস্য নির্বাচনে প্রত্যেক প্রার্থীকে কমিশনের অনুকূলে ৫০ হাজার টাকা করে জামানত জমা দিতে হয়েছে।
পঞ্চগড়-১ আসন:এই আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৯৬৭। নিয়ম অনুযায়ী জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল কমপক্ষে ৪৪ হাজার ৮৭০ ভোট। কিন্তু সেই সীমা অতিক্রম করতে পারেননি পাঁচ প্রার্থী।
বাংলাদেশ জাসদের নাজমুল হক প্রধান মোটরগাড়ি (কার) প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৯ ভোট।
বিএসপির আব্দুল ওয়াদুদ বাদশা একতারা প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ১৮ ভোট।
বাংলাদেশ লেবার পার্টির ফেরদাউস আলম আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৬৮৩ ভোট।
গণঅধিকার পরিষদের মাহাফুজার রহমান ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৮৩৬ ভোট।
বিএনএফের সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ২৬১ ভোট।
ফলাফলে দেখা গেছে, এই আসনে ভোটারদের সমর্থন মূলত শীর্ষ প্রার্থীদের দিকেই কেন্দ্রীভূত হয়েছে; অন্য প্রার্থীরা প্রত্যাশিত সাড়া পাননি।
পঞ্চগড়-২ আসন:এই আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ২২ হাজার ৩০৭। এক অষ্টমাংশ হিসেবে জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ৪০ হাজার ২৮৮ ভোট। কিন্তু প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় ছয় প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন সুমন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৮৫৪ ভোট।
বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আশরাফুল ইসলাম কাস্তে প্রতীকে পেয়েছেন ৯৩৫ ভোট।
বাংলাদেশ জাসদের এমরান আল আমিন মোটরগাড়ি (কার) প্রতীকে পেয়েছেন ৯৫৩ ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কামরুল হাসান প্রধান হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৯১ ভোট।
বিএসপির দেলোয়ার হোসেন একতারা প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৩৫২ ভোট।
জাতীয় পার্টির লুৎফর রহমান রিপন লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ১৫২ ভোট।
দুই আসনের ফলাফলই বলছে, নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নাম লেখানো যত সহজ, জনসমর্থনের শক্ত ভিত গড়া ততটাই কঠিন। ভোটের রায়ে এবারও প্রমাণ হলো, শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেয় সাধারণ মানুষই, আর তাদের নীরব রায়েই নির্ধারিত হয় রাজনৈতিক ভাগ্য।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews