1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
গোপালগঞ্জ-৩ আসনটি এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসন - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
সমাজহিতৈষী আব্দুল মছব্বিরের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী স্বরণে ইফতার ও দোয়া কালীগঞ্জের ২০০ জনগণের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণ ঝগড়া থামাতে গিয়ে নিজেই লাশ- পঞ্চগড়ে নিহত মুদি দোকানদার মেহেন্দিগঞ্জে এসএসসি ২০০৫ ব্যাচের ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত কবিতা /ঈদ আনন্দ / লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বৃহত্তর সিলেট জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের ২০২৬-২০২৮ এর ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় ঈদেও স্বস্তি, নেই যাত্রীচাপ রমজানে ভেজাল গুড়ের দৌরাত্ম্য: খোকসায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, আনিসুর রহমান জাফরী সহকারী সম্পাদক হিসেবে যোগদান সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি হিসেবে মোহাম্মদ শাহাদাত আহমেদের যোগদান

গোপালগঞ্জ-৩ আসনটি এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসন

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬

১৯৯১ সাল থেকে শেখ হাসিনার একচেটিয়া আসন ছিলো এটি। এবার এই আসনের ফ্রন্ট লাইনার হলেন বিএনপির এসএম জিলানি। জামায়াত জোটের প্রার্থীর নাম বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আজিজ মক্কী।

এসএম জিলানী ২০০৮ সালের নির্বাচনে শেখ হাসিনার বিপক্ষে নির্বাচন করে ৪৪৫১ ভোট পান। হাসিনার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ছিলো ১,৫৮,৯৫৮। তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে গোপালগঞ্জ-৩ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলার বেশ কিছু কারণ আছে। প্রথমত, গোপালগঞ্জ-২ প্রায় শুরু থেকেই শেখ সেলিমের দখলে। ১৯৮৬ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর‌্যন্ত ৮ বার এমপি হয়েছেন শেখ সেলিম। গোপালগঞ্জ-১ আসনে কর্ণেল ফারুক খান এমপি হয়ে আসছেন ১৯৯৬ সাল থেকে।অন্যদিকে গোপালগঞ্জ-৩ আসনে শেখ হাসিনার আগেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাজনীতিবিদ ছিলেন। শেখ হাসিনার আগে ওই আসনে ১৯৮৬ সালে এমপি হয়েছিলেন জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কাজী ফিরোজ রশীদ ১৯৯৬’র নির্বাচনে সর্বসাকুল্যে ভোট পান ৪৫৩টি। হাসিনা পান ১,০২,৬৮৯ ভোট।

গোপালগঞ্জ-১ আসনের নিয়মিত প্রার্থী ছিলেন সাংবাদিক নির্মল সেন, প্রয়াত রাজনীতিবিদ শেখ শওকত হোসেন নীলুসহ আরো অনেক গুণী রাজনীতিবিদ। তবে এদের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা বরাবরই ছিলো নগণ্য। ১৯৯১’র নির্বাচনের নীলুর সর্বোচ ভোট ছিলো ১৫২৭। নির্মল সেনের ১০১৯। হাসিনার পলায়নের পর গোপালগঞ্জের রাজনৈতিক পরিস্থিতি খুব বদল হয়েছে বলা যায়না। বিএনপির প্রার্থী এসএম জিলানী এখনো নাকি বুলেটপ্রুপ জ্যাকেট পড়ে ঘুরে বেড়ান। গত ১৭ বছর এক রকম পালিয়ে বেড়াতে হয়েছে।

তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন হলে সম্ভবত প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টির বাইরের কেউ এমপি নির্বাচিত হবে। এজন্য ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট