1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
হত্যা মামলার আসামি হয়েও বিটিআরসিতে বহাল তবিয়তে খালেদ ফয়সাল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি না হলে ইরানকে ‘খারাপ পরিণতির’ হুমকি ট্রাম্পের প্রাথমিকের প্রতিটি স্কুলকে ‘স্বায়ত্তশাসিত’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : গণশিক্ষা উপদেষ্টা ত্রয়োদশ  সংসদ নির্বাচন ও গণভোট  উপলক্ষে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে: সেনাপ্রধান ধানের শীষকে বিজয়ী করতে শরীয়তপুর পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে বিএনপির আলোচনা সভ্য নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেটের দাবিতে বাউফলে সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ড্রোন ও বডি ক্যামেরা ব্যবহারের ঘোষণা শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে  বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন বিজিবি মহাপরিচালক কালাইয়ের কুজাইল দিঘী ইজারা নিতে জেলেদের আবেদন

গোপালগঞ্জ-৩ আসনটি এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসন

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬

১৯৯১ সাল থেকে শেখ হাসিনার একচেটিয়া আসন ছিলো এটি। এবার এই আসনের ফ্রন্ট লাইনার হলেন বিএনপির এসএম জিলানি। জামায়াত জোটের প্রার্থীর নাম বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আজিজ মক্কী।

এসএম জিলানী ২০০৮ সালের নির্বাচনে শেখ হাসিনার বিপক্ষে নির্বাচন করে ৪৪৫১ ভোট পান। হাসিনার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ছিলো ১,৫৮,৯৫৮। তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে গোপালগঞ্জ-৩ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলার বেশ কিছু কারণ আছে। প্রথমত, গোপালগঞ্জ-২ প্রায় শুরু থেকেই শেখ সেলিমের দখলে। ১৯৮৬ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর‌্যন্ত ৮ বার এমপি হয়েছেন শেখ সেলিম। গোপালগঞ্জ-১ আসনে কর্ণেল ফারুক খান এমপি হয়ে আসছেন ১৯৯৬ সাল থেকে।অন্যদিকে গোপালগঞ্জ-৩ আসনে শেখ হাসিনার আগেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাজনীতিবিদ ছিলেন। শেখ হাসিনার আগে ওই আসনে ১৯৮৬ সালে এমপি হয়েছিলেন জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কাজী ফিরোজ রশীদ ১৯৯৬’র নির্বাচনে সর্বসাকুল্যে ভোট পান ৪৫৩টি। হাসিনা পান ১,০২,৬৮৯ ভোট।

গোপালগঞ্জ-১ আসনের নিয়মিত প্রার্থী ছিলেন সাংবাদিক নির্মল সেন, প্রয়াত রাজনীতিবিদ শেখ শওকত হোসেন নীলুসহ আরো অনেক গুণী রাজনীতিবিদ। তবে এদের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা বরাবরই ছিলো নগণ্য। ১৯৯১’র নির্বাচনের নীলুর সর্বোচ ভোট ছিলো ১৫২৭। নির্মল সেনের ১০১৯। হাসিনার পলায়নের পর গোপালগঞ্জের রাজনৈতিক পরিস্থিতি খুব বদল হয়েছে বলা যায়না। বিএনপির প্রার্থী এসএম জিলানী এখনো নাকি বুলেটপ্রুপ জ্যাকেট পড়ে ঘুরে বেড়ান। গত ১৭ বছর এক রকম পালিয়ে বেড়াতে হয়েছে।

তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন হলে সম্ভবত প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টির বাইরের কেউ এমপি নির্বাচিত হবে। এজন্য ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট