
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বান্দরবান ৩০০ নং সংসদীয় আসনে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম। তিনি বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের একজন সদস্য ছিলেন। দলীয় নির্দেশে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন। মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের ফলে একুল ওকুল দুকুলই গেল অ্যাডভোকেট আবুল কালামের। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে দলের পক্ষে জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আবদুল আউয়াল এ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন।তফসিল ঘোষণার অনেক আগে থেকেই এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে মাঠ চষে বেড়িয়েছিলেন অ্যাডভোকেট আবুল কালাম। কেন্দ্রীয় নেতারাও জেলা সফর করে তাকে দলের প্রার্থী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। বিএনপি প্রার্থী রাজপুত্র সচিংপ্রু জেরীর বিপক্ষে শক্ত কোন প্রার্থী না থাকায় মাঠপর্যায়ে ব্যাপক সাড়াও পেয়েছিলেন তিনি। তবে শেষমুহূর্তে জোটগত আসন সমঝোতার কারণে পাল্টে যায় সমীকরণ। মহেশখালী উপজেলার বাসিন্দা এসএম সুজা উদ্দিনকে এ আসনে জামায়াত সমর্থিত এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা করা হয়।স্থানীয়দের বাদ দিয়ে বহিরাগত প্রার্থীকে চাপিয়ে দেওয়ায় এনসিপি ও জামায়াত উভয় দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিলেও শেষপর্যন্ত কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত মেনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে হলো আবুল কালামকে। এদিকে ১২ তারিখের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর লড়াইয়ের ময়দানে মূল আকর্ষণ হয়ে থাকছেন বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী ও বোমাং রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী। মাঠে ধানের শীষের সাচিং প্রু জেরীর সঙ্গে এনসিপির প্রার্থী এসএম সুজা উদ্দিন ছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকছেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম এবং জাতীয় পাটির প্রার্থী আবু জাফর মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ।