বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
কক্সবাজারে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র অপহরণের অভিযোগ, মেঘনায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত! দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প, চিকিৎসাসেবা পেলেন ৪৬৭ জন ! শিশুদের মানবিক গুণাবলি জাগ্রত করতে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই প্রকৃতি ও পরিবেশের,প্রতি দায়িত্বশীল হয়ে গড়ে উঠতে হবে ! ঘোড়াঘাটে জুলাই শহীদ দিবস পালিত ! কক্সবাজার আদালতের উদ্যোগে একদিনে ৯২ কেটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস ! রাজধানীর উত্তরায় বাসচাপায় দুই সাংবাদিক নিহত হয়েছেন ! সুবচনী উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন আবুল মনসুর আবদুল্লা (পান্থ তালুকদার) ফাতেমা ফাইরুজের ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ !

নওগাঁয় নিজ সন্তানকে নদীতে ফেলে দিয়ে থানায় গিয়ে গ্রেপ্তারের দাবি!

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  নওগাঁর পত্নীতলায় ব্রিজ থেকে ১৬ মাস বয়সী নিজ সন্তানকে আত্রাই নদীতে ফেলে দিয়েছেন এক মা। সন্তানকে পানিতে ফেলে দেওয়ার পর নিজেই বুঝতে পেরেছে তার সন্তান নদীতে ফেলে দিয়েছেন পরে  থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে গ্রেফতারের দাবি জানান তিনি।
ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে পত্নীতলা উপজেলায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা শিশুটিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
 পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মুনতাহীন নামে এক নারী থানায় এসে জানান, তিনি তার ১৬ মাস বয়সী কন্যা শিশুকে মাহমুদপুর ব্রিজ থেকে আত্রাই নদীর পানিতে ফেলে দিয়েছেন। এইজন্য  পুলিশকে তাকে গ্রেপ্তার করার অনুরোধ করেন।
 বিষয়টি শোনামাত্র পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সেখানে এক ব্যক্তি শিশুটিকে পানি থেকে উদ্ধার করে প্রাথমিক শুশ্রূষা দিচ্ছিলেন। পুলিশ হেফাজতে শিশুটিকে  নিয়ে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটি বর্তমানে শঙ্কামুক্ত।
 বাবা মেহেদী হাসান জানান, তার স্ত্রী বেশ কিছুদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। মানসিক অসুস্থতার কারণেই তিনি এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন। তার সুচিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
পত্নীতলা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘একজন নারী থানায় এসে দাবি করেন যে তিনি তার সন্তানকে নদীতে ফেলে দিয়েছেন। আমরা তাৎক্ষণিক পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারি তিনি সন্তানকে নিয়েই বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন।
পরে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় শিশুটিকে উদ্ধার ও হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করা হয়।’
 পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পর আমি হাসপাতালে শিশুটিকে দেখতে গিয়েছিলাম। যে ব্যক্তি শিশুটিকে পানি থেকে উদ্ধার করেছেন, তাকে পুলিশের পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। শিশুর পরিবার আমাদের আশ্বস্ত করেছে যে তারা শিশুটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন এবং মায়ের মানসিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews