শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বান্দরবানে নিখোঁজ হওয়া ৩ কিশোরী চট্টগ্রাম থেকে ৪ দিন পর উদ্ধার “বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস” উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও স্মার্ট সাদাছড়ি বিতরণ  দুর্গাপূজা ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আনসার ও ভিডিপির ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত কৃষককে কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেই কৃষিখাতের নীতি ও প্রযুক্তি নির্ধারণ করতে হবে —জহির উদ্দিন স্বপন টাঙ্গাইল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের হল ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন! কালাইয়ে সমবায়ীদের অংশগ্রহণে ভ্রাম্যমাণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত পরিদর্শণে থাকবেন এমপি নুরুল সুনামগঞ্জে ৪৪৪ পূজামন্ডপে অনুষ্ঠিত হবে বাউফলে যুবলীগ নেতার বাবা পেলেন সারের ডিলার!  খেরকাটি দ্বি মুখী উচ্চ  বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ ও বেন্স  সংকট ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান যুবলীগ সভাপতির পুত্র প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে!

নওগাঁয় নিজ সন্তানকে নদীতে ফেলে দিয়ে থানায় গিয়ে গ্রেপ্তারের দাবি!

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬



  নওগাঁর পত্নীতলায় ব্রিজ থেকে ১৬ মাস বয়সী নিজ সন্তানকে আত্রাই নদীতে ফেলে দিয়েছেন এক মা। সন্তানকে পানিতে ফেলে দেওয়ার পর নিজেই বুঝতে পেরেছে তার সন্তান নদীতে ফেলে দিয়েছেন পরে  থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে গ্রেফতারের দাবি জানান তিনি।
ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে পত্নীতলা উপজেলায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা শিশুটিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
 পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মুনতাহীন নামে এক নারী থানায় এসে জানান, তিনি তার ১৬ মাস বয়সী কন্যা শিশুকে মাহমুদপুর ব্রিজ থেকে আত্রাই নদীর পানিতে ফেলে দিয়েছেন। এইজন্য  পুলিশকে তাকে গ্রেপ্তার করার অনুরোধ করেন।
 বিষয়টি শোনামাত্র পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সেখানে এক ব্যক্তি শিশুটিকে পানি থেকে উদ্ধার করে প্রাথমিক শুশ্রূষা দিচ্ছিলেন। পুলিশ হেফাজতে শিশুটিকে  নিয়ে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটি বর্তমানে শঙ্কামুক্ত।
 বাবা মেহেদী হাসান জানান, তার স্ত্রী বেশ কিছুদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। মানসিক অসুস্থতার কারণেই তিনি এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন। তার সুচিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
পত্নীতলা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘একজন নারী থানায় এসে দাবি করেন যে তিনি তার সন্তানকে নদীতে ফেলে দিয়েছেন। আমরা তাৎক্ষণিক পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারি তিনি সন্তানকে নিয়েই বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন।
পরে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় শিশুটিকে উদ্ধার ও হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করা হয়।’
 পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পর আমি হাসপাতালে শিশুটিকে দেখতে গিয়েছিলাম। যে ব্যক্তি শিশুটিকে পানি থেকে উদ্ধার করেছেন, তাকে পুলিশের পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। শিশুর পরিবার আমাদের আশ্বস্ত করেছে যে তারা শিশুটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন এবং মায়ের মানসিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews