1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
শেরপুরের তিন সীমান্তাঞ্চলে জেঁকে বসেছে হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশা - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
কুমিল্লায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত।  শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে মেঘনায় বিএনপির আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল।  সঠিক নিয়মে যাকাত প্রদানই কোরবানির শিক্ষা।  মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আমাদের করণীয় পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে বিদেশি মদের চালান উদ্ধার, আটক বাবা-ছেলে!  জয়পুরহাটে ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ৪৯৬ ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত!  ঈদুল আজহা পারস্পরিক সৌহার্দ্যতা ও ভাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে।  শরীয়তপুরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম!  পবিত্র ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফকির মোখলেছুর রহমান বাবু শাহ্!  সরকারিভাবে দুস্থদের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে নগদ অর্থ পাওয়া যায়! 

শেরপুরের তিন সীমান্তাঞ্চলে জেঁকে বসেছে হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশা

রণবীর সরকার, শেরপুর (নর্থ)
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬

শেরপুর জেলার শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ি উপজেলায় তীব্র শীতের প্রকোপে জনজীবন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। ভারতের মেঘালয় পর্বতের পাদদেশে অবস্থান করায় এসব এলাকায় উত্তর দিক থেকে হিমেল বাতাস প্রবলভাবে বইছে। এর সঙ্গে ঘন কুয়াশা ও কুয়াশার মতো গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে শীতের তীব্রতা আরও বেড়ে গেছে।

সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা না মেলায় শীত সহনীয় পর্যায়ে নামছে না। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী ও পাহাড়ঘেঁষা গ্রামগুলোতে শীতের দাপট সবচেয়ে বেশি। ঘর থেকে বের হতে পারছেন না অনেক মানুষ। কাজে যেতে না পারায় দিনমজুর, কৃষিশ্রমিক ও ভ্যানচালকরা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

শীতবস্ত্রের অভাবে সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছেন দরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষ, শিশু ও বৃদ্ধরা। অনেকেই পুরোনো কাপড় কিংবা পাতলা চাদর গায়ে দিয়ে রাত কাটাচ্ছেন। শীতজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। স্থানীয় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে ঠাণ্ডাজনিত জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে রোগীর ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ঘন কুয়াশার কারণে সড়কপথে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কমে গেছে। অনেক অভিভাবক শিশুকে স্কুলে পাঠাতে অনীহা প্রকাশ করছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শীতের তীব্রতায় সরকারি – বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠনের শীত বস্ত্র বিতরণের জন্য,  দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন এই অঞ্চলের মানুষ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট