সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
আন্তর্জাতিক প্রেসক্লাব ট্রাস্টের লোগো উন্মোচন ও অভিষেক বাউফলে উপজেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ফেনী মুহুরী লিও ক্লাবের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও হাতের লেখা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত চাটখিল নরমাল ডেলিভারি হাসপাতালের ১ বছরের সাফল্য! রহনপুর মেডিকেল মোড়ে ভোক্তা অধিকারের কঠোর অভিযান! পাওনা টা’কা নিয়ে বিরোধ, ভাইয়ের বি’রুদ্ধে বোনকে হত্যার অভিযোগ! সিলেট জুড়ে বিদ্যুতের লোডশেডিং লাগামহীন, অতিষ্ঠ জনজীবন! দিনাজপুরে রেলওয়ে শ্রমিক-কর্মচারী দলের নবনির্বাচিত কমিটির মতবিনিময় গোমস্তাপুরে বোয়ালিয়া ইউপি গেটে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ! গাছায় সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত ব্যক্তির ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ১১ লাখ টাকার জাল নোট সহ গ্রেপ্তার ৩

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫




বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় অভিযান চালিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা জাল টাকার একটি সংঘবদ্ধ চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে বিপুল পরিমাণ জাল নোট জব্দ করা হয়।

গত শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে বান্দরবান পুলিশ সুপার কনফারেন্স রুমে, এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার আবদুর রহমান। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১ ইস্ট, ব্লকের বাসিন্দা হাবিব উল্লাহ (১৯), আলী জোহার (২৮) এবং কুতুপালং পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দার মো. আবুল হাশেম (৩২)।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, একটি সংঘবদ্ধ চক্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জাল নোটের কারবার করে আসছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) গভীর রাতে জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দোছড়ি ইউনিয়নে সীমান্তবর্তী ওয়াচ্ছাখালী এলাকার নূরুল ইসলামের দোকানের সামনে থেকে জাল টাকা হাতবদলের সময়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে জাল নোট সহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

এ সময়ে পাচারকারী চক্রের কাছ থেকে ১১ লাখ ৩৮ হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে দুই জন বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা। পরে এ ঘটনায় নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় একটি মামলা হয়েছে।

এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মো. আবদুর রহমান বলেন, ‘জাল নোটসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। এদের মধ্যে দুই জন রোহিঙ্গা সহোদর ভাই। অন্যজন সিএনজি চালক। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি তদন্তপূর্বক জাল টাকা টাকা কোথায় ছাপানো হচ্ছে দেশের ভিতরে নাকি বিদেশে সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতরা সীমান্ত অঞ্চলকে নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহার করে জাল টাকা সংগ্রহ ও বাজারে ছড়িয়ে দিচ্ছিল। তাদের কার্যক্রমে স্থানীয় বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছিল। অভিযানের সময় উদ্ধারকৃত জাল নোটের পরিমাণ এতটাই বেশি যে এটি একটি সুসংগঠিত নেটওয়ার্কের ইঙ্গিত দিচ্ছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছে— তারা শুধু বাহক নয়, বরং জাল নোট সরবরাহ ও বিতরণের মূল চেইনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। যেকোনাে ধরনের অপরাধ মূলক কার্যক্রম বন্ধে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews