বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মনোহরদীতে মোবাইল কোর্টের অভিযান: ৩ ইয়াবা সেবীর ৫ মাস করে কারাদণ্ড পিরোলী খানকাহপাড়া সবুজ সংঘের উদ্যোগে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ নৌপথে চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে বাল্কহেড মালিক-শ্রমিকদের মানববন্ধন রাজশাহী মোহনপুর উপজেলার প্রবেশ মুখে পিলারে নির্মিত হয়েছে পানের প্রতিক সোনারগাঁয়ে ১,৩০০ ফুট আরসিসি সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন করলেন এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নান শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন ! ১১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে হাবিপ্রবিতে নির্মিত হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়ার নামে ১২ তলা মেগা ছাত্রী হল অনৈতিক সম্পকের জেরে নির্মম হত্যাকাণ্ড, সীমান্ত এলাকা থেকে আসামি গ্রেফতার করেছে পিবিআই অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ‘ফ্রন্ট-অফ-প্যাক লেবেলিং’ প্রবিধানমালা বাস্তবায়নের দাবি আহ্ছানিয়া মিশনের কালিহাতীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময় সভা

আলোচিত ‘ডেভিল’ নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া লিটন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে!

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

নরসিংদীর মাধবদীতে আলোচিত ‘ডেভিল’ নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া লিটন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ, জনমনে বাড়ছে ক্ষোভ

নরসিংদী জেলার মাধবদী এলাকার আলোচিত ব্যক্তি এবং সাবেক ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে পরিচিত নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া লিটন যিনি স্থানীয়ভাবে ‘ডেভিল’ নামে পরিচিত এখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় জনমনে তীব্র প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় একাধিক রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের অভিযোগ, গত প্রায় ১৫ বছর আওয়ামী লীগ শাসনামলে নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া লিটন ক্ষমতার অপব্যবহার করে এলাকায় বেপরোয়া প্রভাব বিস্তার করেন এবং একপ্রকার ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি করেন। তাদের দাবি, ওই সময় তিনি বিপুল অর্থসম্পদের মালিক হন এবং জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিচয় ব্যবহার করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে প্রভাব খাটান।

রাজনৈতিক নেতাদের অভিযোগ অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে তিনি অন্যতম প্রধান অর্থদাতা ছিলেন। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মাধবদী শহরসহ পুরো নরসিংদী জেলা কার্যত তার প্রভাববলয়ের মধ্যে ছিল এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক গুঞ্জন রয়েছে। বিশেষ করে নাবিলা টাওয়ার, রমণী কমিউনিটি সেন্টার, রমণী গ্রুপ অব কোম্পানি, মাধবদী ডাইংসহ একাধিক শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা চলে আসছে। এসব প্রতিষ্ঠানের পেছনে রাজনৈতিক প্রভাব ও অর্থনৈতিক যোগসূত্র নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সচেতন মহল।

অভিযোগ রয়েছে, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে এবং অনৈতিক উপায়ে তিনি এসব সম্পদ অর্জন করেছেন। সরকার পরিবর্তনের পরও তিনি প্রকাশ্যে একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ঘোরাফেরা করছেন বলে স্থানীয়দের দাবি, যা নিয়ে জনমনে বিস্ময় ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন কোথায় কথিত ‘ডেভিল হান্ট’? কেন এখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর তৎপরতা চোখে পড়ছে না? তারা অবিলম্বে নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া লিটনকে গ্রেপ্তার করে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

পাশাপাশি মাধবদীবাসীর দাবি, যুবলীগ নেতা দেলোয়ারের মতো আলোচিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে যেভাবে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নজরদারির কথা উঠে এসেছে, ঠিক তেমনি নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া লিটনের ক্ষেত্রেও আর্থিক লেনদেন ও সম্পদের উৎস অনুসন্ধানে কঠোর নজরদারি জোরদার করা হোক।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া লিটনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews