মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
কালিহাতীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময় সভা বাউফলে প্রধানমন্ত্রীর ছবির উপর অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ লেখার অভিযোগ ঘোড়াঘাটে হারপেস ইনফেকশন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সাইন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠানে আউটসোর্সিং প্রথা বিলুপ্ত ও চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে রাজপথে নামার আলটিমেটাম অসুস্থ ও অসহায় পরিবারের  পাশে দাঁড়ানোর   আহ্বান, এমপি কাজলের ! হাটহাজারীতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, কমিউনিটি সেন্টারকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা !  নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ও পুনঃতফসিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন শেরপুরে জোর পূর্বক জমি দখলের চেষ্টা আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা নিশ্চিতে নির্ভুল তথ্যভাণ্ডার গড়ার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

আবরার-রিফাতের ব্যাটিং নৈপুণ্যে জয় দিয়ে এশিয়া কাপ শুরু করল বাংলাদেশ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

 দুই ওপেনার জাওয়াদ আবরার ও রিফাত বেগের ব্যাটিং নৈপুণ্যে জয় দিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ শুরু করল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ।

আজ ‘বি’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ৩ উইকেটে হারিয়েছে আফগানিস্তানকে। উদ্বোধনী জুটিতে আবরার-রিফাতের ১৫১ রানের সুবাদে ৭ বল বাকী থাকতে জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।

দুবাইয়ে আইসিসি একাডেমি মাঠে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ফয়সাল সিনোজাদার সেঞ্চুরিতে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৮৩ রান করে অফগানিস্তান। ইনিংসের চতুর্থ ওভার ও দলীয় ১৬ রানে ক্রিজে আসেন ফয়সাল।

ওপেনার ওসমান সাদাতের সাথে দ্বিতীয় উইকেটে ৭৬ এবং তৃতীয় উইকেটে উজাইরুল্লাহ নিয়াজিকে নিয়ে ৯৩ রানের জুটি গড়েন ফয়সাল। এরমধ্যে সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি।

৮টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৯৪ বলে ১০৩ রানের ইনিংস খেলেন ফয়সাল।

৩৩তম ওভারে দলীয় ১৭৫ রানে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে ফয়সাল আউট হওয়ার পর আফগানিস্তানকে লড়াকু পুঁজি এনে দেন নিয়াজি ও আজিজুল্লাহ মিয়াখিল। নিয়াজি ৪৪ ও মিয়াখিল অপরাজিত ৩৮ রান করেন।

বল হাতে বাংলাদেশের ইকবাল হোসেন ইমন ও শাহরিয়ার আহমেদ ২টি করে উইকেট নেন।

২৮৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে ১৫১ রান তোলেন দুই ওপেনার আবরার ও রিফাত। ২৭তম ওভারের চতুর্থ বলে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ৬২ রান করে আউট হন রিফাত।

সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে নাভার্স-নাইন্টিতে আউট হন আবরার। ৯টি চার ও ৬টি ছক্কায় ১১২ বলে ৯৬ রান করেন তিনি।

দলীয় ১৭০ রানে আবরার ফেরার পর ৬৬ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে জয়ের পথে রাখেন অধিনায়ক আজিজুল হাকিম ও কালাম সিদ্দিকি। কিন্তু হাকিম ও কালামসহ মোট চার উইকেট পতন হলে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ২৬৪ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় তারা।

আজিজুল ৪৭, কালাম ২৯, এমডি আব্দুল্লাহ ২ ও সামিউন বশির ১ রানে আউট হন।

সপ্তম উইকেটে ১৯ রানের জুটি গড়ে আফগানিস্তানের ২৮৩ রান স্পর্শ করেন রিজান হোসেন-শেখ পারভেজ জীবন জুটি। দলের জয় থেকে ১ রান দূরে থাকতে ব্যক্তিগত ১৩ রানে আউট হন জীবন।

নতুন ব্যাটার হিসেবে ক্রিজে এসে ১ রান নিয়ে ৭ বল বাকী থাকতে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন শাহরিয়ার আহমেদ। ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন রিজান।

আফগানিস্তানের খাতির স্তানিকজাই ও রহউল্লাহ আরাব ২টি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন বাংলাদেশের আবরার।

আগামী ১৫ ডিসেম্বর দুবাইয়ে গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নেপালের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

 

সূত্র: অনলাইন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews