1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
চট্টগ্রামে আমদানি নিষিদ্ধ ৪২০০ কেজি ঘনচিনি আটক - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
গাজীপুর জেলার গাছা থানাধীন মাদ্রাসা ছাত্রকে প্রাণ নাসের চেষ্টা! নরসিংদীতে গ্যারেজ ও দোকানে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ! মাদকবিরোধী অবস্থানের জেরে বিএনপি নেতার ওপর হামলার অভিযোগ, পাল্টাপাল্টি বক্তব্য মেঘনায় তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত ১ শত ৫০ টাকার দ্ব‌ন্দে কেন্দ্র বা‌তিল! শ্রমিকদের তীব্র বিক্ষোভে প্রশাসনের নতি, টোল বন্ধের প্রতিশ্রুতি সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেলের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ! শরীয়তপুর সদর উপজেলায় গ্রাম আদালত  বিষয়ক উঠান বৈঠক  অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে ইটভাটার মাটি কাটার অভিযোগ,থানায় জিডি! পিবিআই ঢাকা জেলা কর্তৃক আশুলিয়ার চাঞ্চল্যকর ফয়সাল মোল্লা হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার 

চট্টগ্রামে আমদানি নিষিদ্ধ ৪২০০ কেজি ঘনচিনি আটক

ভোরের আওয়াজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫

চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানিকৃত ৪ হাজার ২০০ কেজি ঘনচিনি (সোডিয়াম সাইক্ল্যামেট) আটক করা হয়েছে। সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল, ঢাকা’র সহযোগিতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস হাউস চট্টগ্রামের গোয়েন্দা টিম এই ঘনচিনি আটক করেছে।

আজ বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এজাজ ট্রেডিং, ৪৭ হাজী নাদের হোসেন রোড, নামাবাড়ি, কেরানিগঞ্জ, ঢাকা, ‘পলিঅ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড’ ঘোষণায় চীন থেকে একটি কন্টেইনারে ২২ হাজার ৮৮ কেজি পণ্য আমদানি করে, যা গত ২১ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দরে অবতরণ করে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রাম উক্ত পণ্যের খালাস স্থগিত করে, এবং গত ৬ নভেম্বর কায়িক পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষাকালে দুই ধরনের পণ্য পাওয়া যায়, যার নমুনা উত্তোলনপূর্বক কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রামের ল্যাবে রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করা হয়।

রাসায়নিক পরীক্ষার প্রতিবেদনে উক্ত দুই শ্রেণির পণ্যের মধ্যে একটিতে ১৭ হাজার ৮০০ কেজি ‘পলিঅ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড’ পাওয়া গেলেও বাকি ৪ হাজার ২০০ কেজি পণ্যকে ঘনচিনি ‘সোডিয়াম সাইক্ল্যামেট’ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।

ঘনচিনি (সোডিয়াম সাইক্ল্যামেট) একটি কৃত্রিম মিষ্টিকারক, যা সাধারণ চিনির চেয়ে প্রায় ৩০ থেকে ৫০ গুণ বেশি মিষ্টি। বিভিন্ন ধরনের মিষ্টান্ন, বেকারি আইটেম, আইসক্রিম, বেভারেজ, জুস, চকোলেট, কনডেন্সড মিল্ক এবং শিশু খাদ্য তৈরিতে সাধারণ চিনির পরিবর্তে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী এই ক্ষতিকারক কৃত্রিম উপাদানটি ব্যবহার করে থাকে। ঘনচিনি দিয়ে তৈরি খাদ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ঘনচিনির দ্বারা প্রস্তুত খাদ্য ক্যান্সারসহ কিডনি ও লিভারের জটিল রোগের কারণ হতে পারে। জনস্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর বিধায় সরকার আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ অনুসারে পণ্যটিকে আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

নিষিদ্ধ ঘনচিনি আমদানি করায় কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর বিধান মোতাবেক পণ্যচালানটি কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রাম কর্তৃক আটক করা হয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ সেপ্টেম্বর এবং ২৮ অক্টোবর দু’টি পৃথক চালানে আমদানিকৃত প্রায় ১০০ টন ঘনচিনির দু’টি পণ্যচালান কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রাম আটক করেছে, যার আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

 

সূত্র : অনলাইন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট