1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
খুলনায় অক্টোবর-২৫ মাসে ২৭টি ময়দার মিলে সরকারি ওএমএস এর গম বরাদ্দ মাত্র ৮৪৫ টন - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
কুমিল্লায় শর্ট গানের তিন রাউন্ড কার্তুজ, পুলিশের ইউনিফর্ম সহ গ্রেফতার -১! জহুরুলের জীবনে নেমে এসেছে বিপযয়! বাউফলে পানি নিষ্কাশনের পাইপ বসানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩; আটক ৪! ৩৪ ঘণ্টায়ও উদ্ধার হয়নি কুমিল্লায় ফিল্মি স্টাইলে অপহরণ করা কিশোরী। পীরগঞ্জে গ্রাম আদালতের সুফল সম্পর্কে জনসচেনতা বিষয়ক কর্মশালা।  খোকসায় হাইওয়ে সড়কে অটোরিকশা-ইজিবাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা! কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলার উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন সহ অন্যান্য ভবনের জায়গা পরিদর্শনে আসেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নান। ক্ষেতলালে সড়কে খড় শুকানোর দায়ে মোবাইল কোর্ট,২ জনকে জরিমানা! ঢাকা শহরের পরিবেশ দূষণ ও উত্তরণের উপায়। কুমিল্লায় বশির হত্যা মামলার আসামি তাহের আটক!

খুলনায় অক্টোবর-২৫ মাসে ২৭টি ময়দার মিলে সরকারি ওএমএস এর গম বরাদ্দ মাত্র ৮৪৫ টন

খাইয়ুম খান
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫

সরকারের খাদ্য অধিদপ্তর কর্তৃক গৃহীত ও এম এস কর্মসূচির মাধ্যমে ন্যায্য মূল্যমূল্যে চাল ও আটা বিক্রি কর্মসূচির আওতায় খুলনা জেলার ২৭ টি মিল বরাদ্দ পেয়েছে মাত্র ৮৪৫ মেট্রিক টন । মিলের মাসিক পেষন ক্ষমতার তুলনায় এই বরাদ্দের পরিমাণ অনেক কম। সংশ্লিষ্ট আটা ময়দার মিল মালিকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে আমরা সরকারি যে গম বরাদ্দ পাই তা আমাদের মিলের মাসিক পেষন ক্ষমতার কয়েকগুন কম। কিন্তু আমরা আগে এর থেকে অনেক বেশী গম বরাদ্দ পেতাম। শিল্পনগরী হিসাবে এ জেলায় ৩৪ টি ময়দার মিল রয়েছে। বেশ কিছু মিল লোকসান গুনতে গুনতে বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে যে সকল মিল চালু রয়েছে তাদের অধিকাংশ মিল পরিচালনার ক্ষেত্রে খাদ্য অধিদপ্তরের আটা প্রস্তুতের সঙ্গে সম্পৃক্ত । সরকারি বরাদ্দ না থাকলে আরো কিছু মিল বন্ধ হয়ে যেতে পারে । যেটা শিল্প নগরী খুলনার কর্মসংস্থানের উপরে প্রভাব ফেলবে। বেশ কিছু মিল মালিকরা আরো জানান খুলনা জেলার সংলগ্ন সাতক্ষীরা, যশোর, বাগেরহাটের কিছু উপজেলায় খুলনা থেকে আটা পরিবহন খরচ অনেক কম হয় । আবার এসব জেলাতে আটা ময়দা মিলের সংখ্যা তুলনামূলক অনেক কম এবং বরাদ্দের পরিমাণ ও অনেক । যদি খুলনা সংলগ্ন জেলাগুলোর কিছু উপজেলার বরাদ্দকৃত আটা খুলনা থেকে দেওয়া যেত তাহলে খুলনার মিল গুলো আরো বেশি গতিশীল হত।খুলনা জেলা আটা ময়দা মিল মালিক সমিতির সভাপতি মো,: মতিয়ার রহমান(মতিন), বলেন সরকারি খাদ্য অধিদপ্তরের যে গমের বরাদ্দ আমরা পাই তা আমাদের পেযণ সক্ষমতার ১ দিনের থেকেও কম। সরকার বরাদ্দ বাড়ালে মিলগুলো লাভের মুখ না দেখলেও বন্ধ হবে না। বিষয়টিকে খাদ্য অধিদপ্তর সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করার জন্য বলেন। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে খাদ্য অধিদপ্তর বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ালে খুলনার ময়দা মিলসমুহ গতি ফিরে পাবে। এ বিষয়ে খুলনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ তানভীর হোসেন বলেন খুলনায় এখন থেকে কোন বন্ধ ও অপরিচ্ছন্ন আটা ময়দার মিলের নামে খাদ্য অধিদপ্তরের ও এম এস এর গম বরাদ্দ হবে না । তিনি আরো বলেন সরকারিভাবে সারা দেশেই ওএমএস গম বরাদ্দের পরিমাণ কম, যদি সরকার বরাদ্দ বাড়ায় সেটা দেশের সব জেলাতেই আনুপাতিক হারে বাড়বে । খুলনায় গত মাসে ২৭ মিলে গমের বরাদ্দ থাকলেও এ মাসে বরাদ্দ পাবে ২৫টি মিল । ২৭ মিলের ২ টি মিল বর্তমানে উৎপাদনশীল নয় । মিল দুটি চালু ও উৎপাদনশীল হলে পুনরায় বরাদ্দ পাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট