
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে ৭০ হাজার টাকার বিনিময়ে ভুয়া দলিল তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে সাব-রেজিস্ট্রার মশিউর রহমানের বিরুদ্ধে। ভূমি সম্পর্কিত সরকারি দপ্তরগুলোতে দীর্ঘদিন ধরেই চলমান অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। সাধারণের অভিযোগ দুর্নীতি এখন যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে।
ভুক্তভোগী আশুগঞ্জ সোহাগপুর এলাকার মো. আজিজ মিয়া জানান, তিনি তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে পৈতৃক সম্পত্তির বণ্টন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধে আছেন। তাদের পিতা মৃত ইউনুস মিয়ার ক্রয়কৃত জমি মোট ৫ দাগে ৩১০ শতক এবং আরও একটি দাগে তিন ভাইয়ের নামে মোট ৮২ শতক জমি রয়েছে। পারিবারিকভাবে বোনেরা তাদের নির্ধারিত অংশ বুঝে নিলেও নাসিরনগর মোজার কুন্ডা ইউনিয়নে থাকা ৮২ শতক জমি তিন ভাইয়ের নামে থেকে যায়।
অভিযোগ রয়েছে, উক্ত জমি নিয়ে বিরোধ বাড়তে থাকায় কুন্ডা ইউনিয়নের প্রভাবশালী ব্যক্তি ফারুক মিয়া (বয়স ৫৫), পিতা হামিদ মিয়া বোনদের পক্ষ নিয়ে ভূমিদস্যতা ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে নাসিরনগর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে ৭০ হাজার টাকার বিনিময়ে ওই জমির ওপর একটি ভুয়া দলিল সৃষ্টি করা হয়।
এ ঘটনায় মো. আজিজ মিয়া আদালতের আশ্রয় নেন। পরবর্তীতে আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে দলিল সংশোধনের নির্দেশ প্রদান করেন।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী আজিজ মিয়া শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখে ভূমি সংক্রান্ত মামলাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।