শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মেঘনায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন ভূইয়া মুন্নু একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান রাজনীতিবিদের নাম বান্দরবানে বিলাসবহুল গাড়ি সহ ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ চালক আটক টেকসই বেড়িবাঁধ ও সেতুর দাবিতে ৫ কিলোমিটারজুড়ে মানববন্ধন বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধানক্ষেতে, পথচারী আহত! ঘোড়াঘাটে বিএনপি’র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য রেলি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মাদকবিরোধী সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠি ত বালিয়াডাঙ্গীতে আইনশৃঙ্খলা, সন্ত্রাস নাশকতা, চোরাচালান প্রতিরোধ বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত বাউফলে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও দোয়া মিলাদ অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়া পৌরবাসী অসহায় এক পৌর কর্মকর্তার কাছে

অগ্রণী ব্যাংকের ২২ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সাবেক দুই এমডির নামে মামলা

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫




অগ্রণী ব্যাংকের জন্য ফ্লোর স্পেস কেনার নামে প্রায় ২২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক দুই ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) নয়জনের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১০ নভেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ। দুদকের সহকারী পরিচালক মো. রহুল হক বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। এতে দণ্ডবিধি এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক এমডি ও সিইও সৈয়দ আব্দুল হামিদ, সাবেক এমডি মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম, সাবেক মহাব্যবস্থাপক আবুল বাশার সেরনিয়াবাত ও মো. দেলোয়ার হোসেন, সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপনা পরিচালক সাধন চন্দ্র মণ্ডল, সাবেক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল খালেক, সাবেক উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আওলাদ হোসেন এবং আলমপনা বিল্ডার্স লিমিটেডের এমডি মো. আসাদ।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৩ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে অগ্রণী ব্যাংকের বাবুবাজার শাখা এবং ঢাকা দক্ষিণাঞ্চল কার্যালয়ের জন্য অফিস স্পেস কেনার অনুমোদন ছাড়াই অগ্রিম ১৪ কোটি টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা বাংলাদেশ ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংকের নীতিমালা উপেক্ষা করে এ লেনদেন সম্পন্ন করেন। তাদের অনিয়মের কারণে সরকারি তহবিল থেকে কোটি কোটি টাকা ক্ষতি হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে।

অপর মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন না করেই আলমপনা বিল্ডার্সের ‘আলমপনা রব-নূর টাওয়ার’ নামের ভবনের দ্বিতীয় তলায় ফ্লোর স্পেস কেনার নামে সাত কোটি ২০ লাখ টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়। এমনকি ভবনের জমির মালিকানাসংক্রান্ত দলিল সম্পাদনের আগেই আসামি মো. আসাদ ব্যাংকের কাছে বিক্রয় প্রস্তাব দেন।

দুদকের অভিযোগ আরও বলা হয়, ২০১৪ সালের ১৬ জানুয়ারি এক হাজার বর্গফুটের একটি ফ্লোর স্পেস কেনার নোট উপস্থাপনের পর আবুল বাশার সেরনিয়াবাত ও সাধন চন্দ্র মণ্ডলের সুপারিশে ব্যাংকটির সাবেক দুই এমডি ক্রয় অনুমোদন দেন এবং মো. আসাদের অনুকূলে এক কোটি ২৫ লাখ টাকা ছাড় করেন। এভাবে ২০১৩ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে একাধিক ধাপে মোট ২২ কোটি টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে দুদকের অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

সূত্র : অনলাইন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews