1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
হত্যা মামলার আসামি তদবির করতে এসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আটক! - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪ তলা ‘বিশ্বেশ্বর পোদ্দার ভবন’ উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শিক্ষামন্ত্রীর অংশগ্রহণ ! গোমস্তাপুর রোকনপুর সীমান্তে ১৫ জনকে পুশ-ইন প্রতিহত করল বিজিবি ! ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে নতুন প্রশাসককে বরণ, বিদায়ী প্রশাসককে সংবর্ধনা ! জয়পুরহাটে দিনব্যাপী কারাতে বেল্ট পরীক্ষা ও প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ! ইউনাইটেড প্রেসক্লাব চট্টগ্রাম’র উদ্যোগে সাংবাদিক মইনুদ্দীন কাদেরী শওকতকে সংবর্ধনা ! রাজশাহীর  মহনপুরের, মহিষকুন্ডি গ্রামের,অধ্যাপক ড,শামিম আরা চৌধুরী  ! নজরুল স্মৃতি পদক পেলেন লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল ! ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারাগঞ্জে বৃক্ষরোপণের উদ্বোধন ! জ্ঞানভিত্তিক প্রজন্মকে তৈরি করার কাজটাকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি ! কক্সবাজার থেকে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির যাত্রা শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী !

হত্যা মামলার আসামি তদবির করতে এসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আটক!

শেখ সাদি সুমন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয়ে তদবির করতে এসে গ্রেফতার হয়েছেন বাচ্চু মিয়া (৫০) নামের এক ব্যক্তি।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে তার বিরুদ্ধে দুটি হত্যাসহ চারটি মামলা আছে।

গ্রেফতার বাচ্চু মিয়ার (৫০) বাড়ি সরাইল উপজেলার অরুয়াইল ইউনিয়নের ধামাউড়া গ্রামে। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অরুয়াইল ইউনিয়ন শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সোমবার সন্ধ্যায় তাঁকে সরাইল থানা পুলিশের কাছে হস্থান্তর করা হয়।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। থানা-পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাচ্চু মিয়ার বিরুদ্ধে সরাইল এবং ঢাকার আদাবর থানায় দুটি হত্যা মামলা রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন থানায় দুটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে গত শনিবার ধামাউড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য শিরিন আক্তারকে মারধরের অভিযোগে সরাইল থানায় ৫ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়। ওই মামলায় বাচ্চু মিয়া এক নম্বর আসামি। সোমবার দুপুরের পর বাচ্চু মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে তদবিরে যান। সেখানে তিনি তাঁর বিরুদ্ধে গত শনিবার করা মামলটি মিথ্যা প্রমাণ করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে থেকে ডিবি পুলিশ বাচ্চু মিয়াকে মাদরাসাছাত্র হত্যা মামলায় গ্রেফতার করেন। এর দুই ঘণ্টা পর বিএনপির দুই নেতার সুপারিশে ডিবি পুলিশ তাকে ছেড়ে নেয়। এরপর কিছু দিন তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। গত মঙ্গলবার ধামাউড়া গ্রামে তিনি কয়েকজনকে নিয়ে শিরিণ আক্তারকে মারধর করেন। এ ঘটনায় গত শনিবার শিরিন আক্তার সরাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

শিরিন আক্তার বলেন, বাচ্চু মিয়ার নেতৃত্বে আমাকে মারধর করা হয়েছে। তার লোকজন মামলা তুলে নিতে আমাকে হুমকি দিচ্ছে। তার লোকজনের ভয়ে আমি একা মেয়েকে স্কুলে আনা-নেওয়া করতে পারছি না। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।বাচ্চু মিয়াকে পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী।

তিনি বলেন, বাচ্চু মিয়ার বিরুদ্ধে দুটি হত্যাসহ চারটি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট