1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
‎নবীনগরে গণভোট বিষয়ক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের সমন্বয়ে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত শ্রীবরদীর ভেলুয়া বাজারে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত  নোয়াখালীতে ২৫০০ কেজি জাটকা ইলিশ জব্দ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে রংপুরে বধিরদের মাঝে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  প্রেম, বেদনা আর বাস্তবতার গল্পে ইমন খানের নতুন গান ‘তোমার বাসর রাইতে বন্ধু আমার হইবোরে কবর’ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে  শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন জাতীয়তাবাদী পেশাজীবি দল চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী ভলিবল প্রতিযোগিতা ঝিনাইগাতীতে অবকাশ স্বপ্ন কৃষি সমবায় সমিতির ১ম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

অনিয়ম আর অব্যবস্থাপনা অচল বোদা ডায়াবেটিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র

বোদা (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় ২০১০ সালে যাত্রা শুরু করা বোদা ডায়াবেটিক ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা। কিন্তু ১৪ বছর পেরিয়ে গেলেও কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে উপজেলার মানুষ। চিকিৎসকের অনুপস্থিতি ও টেকনেশিয়ানের উদাসিনতা ও তদারকির অভাবে ডায়াবেটিক কেন্দ্রটি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

একাধিকবার অর্থ বরাদ্দ দিয়েও সেবার মান উন্নয়ন করা যায়নি। প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ছিল সাশ্রয়ী চিকিৎসা সুবিধা দেওয়া। অথচ এখন প্রতিদিন গড়ে মাত্র ১ থেকে ৫ জন রোগী আসেন। কিছু মাসে সর্বোচ্চ ৭ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে রোগীর সেবা দিতে ব্যর্থ হলেও বিভিন্ন সময়ে প্রকল্পের অর্থ বরদ্দ দেওয়া হয়েছে ঠিকই।

স্থানীয়দের অভিযোগ— কেন্দ্রে ডাক্তারের সাইনবোর্ড দেওয়া থাকলেও নিয়মিত কোনো ডাক্তার থাকেন না। প্যাথলজি টেকনিশিয়ান থাকলেও তিনি প্রায়শই অনুপস্থিত থাকেন। টেকনিশিয়ান যেন উপজেলার একজন উচ্চপদর্স্থ কর্মকর্তা। তিনি উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের সভাপতি হয়ে সেসব তদারকি করে বেড়ান। তার জায়গায় প্যাথলজীক্যাল পরীক্ষার কাজে তিনি ব্যক্তিগতভাবে দুজন অদক্ষ লোক নিয়োগ দিয়েছেন। এতে চিকিৎসা সেবার মান নিয়ে রোগীদের আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে। কোন রোগী জরুরী অবস্থায় দেখা দিলেও সেখানে যাননা সেবা নিতে।

চিকিৎসা নিতে আসা স্থানীয় সোলেমান বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম কাছে হাসপাতাল আছে বলে সুবিধা পাবো। কিন্তু এখানে গেলে কোনো ডাক্তার পাওয়া যায় না। টেস্ট করাতে গেলেও বিশেষজ্ঞ নেই। তাই বাধ্য হয়ে প্রাইভেট ক্লিনিক বা জেলা শহরে যেতে হয়।”

ফাহিম নামে আরেক রোগী বলেন, “আমি সিবিসি টেস্ট করতে এসেছিলাম। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত টেকনিশিয়ান নিজে না এসে তার নিয়োগপ্রাপ্ত এক অদক্ষ নারী রক্ত নিলেন। নার্সিং বিষয়ে কিছু জানেন কি না জিজ্ঞাসা করলে তিনি কোনো উত্তর দিতে পারেননি। এটা রোগীদের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।”

হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নুর ইসলাম বাবু জানান, “আমি প্যাথলজি টেকনিশিয়ানের দায়িত্বে আছি। এখানে যারা কাজ করছে তারা আমার কাছে শিখছে। তাদের বেতন ইউএনও স্যার দেন। তবে ডাক্তার না থাকায় রোগীর সংখ্যা কম।”

তবে অভিযোগ রয়েছে, নুর ইসলাম বাবু উপজেলা পরিষদ কর্তৃক গৃহিত একাধিক প্রকল্পের চেয়ারম্যান হলেও অনেক প্রকল্পের সঙ্গে তার সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ডায়াবেটিক ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে তার উপস্থিতি না থাকলেও তাকে প্রায়শই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আশপাশে দেখা যায়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি উন্নয়ন প্রকল্পে তাকে সভাপতি করা হয়েছে। অথচ সে হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তি নন। অভিযোগ রয়েছে প্রকল্পের টাকা লুটপাট করার জন্যই তাকে অবৈধভাবে প্রকল্প সভাপতি করা হয়েছে তাকে।

নবাগত বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, “আমি সদ্য যোগদান করেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট