বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
সংগ্রাম ও সাফল্যের ৪৮ বছর,বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মেহেন্দিগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‍্যালি আউটসোর্সিং কর্মীদের জাতীয় পে-স্কেলের সাথে সামঞ্জস্য রেখে স্থায়ী নীতিমালার দাবি ইফার মউশিক প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতির সঙ্গে ‘দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার’ সম্পাদকের সৌজন্য সাক্ষাৎ চা-বাগান ও ঐতিহ্যবাহী আমগাছ পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন গ্রীনম্যান অ্যাওয়ার্ড পেলেন তিন প্রতিষ্ঠান ও চার বিশিষ্ট নাগরিক বিদায় নিলেন নলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল হক সোনারগাঁয়ে ২ হাজার ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার গোলাপগঞ্জে বেড়েছে হানি ট্র্যাপের চক্র : নেপথ্যে মোবাইল লাইভার খালেদ! “কাজী নজরুল বর্ষ” উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা উদ্বোধন

জয়পুরহাটে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, দুইজন গ্রেপ্তার

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫




জয়পুরহাটে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে এক তরুনীকে (১৮) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা কুটাহারা গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগি তরুণী তিনজনের নামে পাঁচবিবি থানায় ধর্ষণের মামলা করেছেন। মামলার পর ঘটনার সহযোগী দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ ময়নুল ইসলাম।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা কুটাহারা গ্রামের মৃত মোফাজ্জলের ছেলে নয়ন (৪৫) ও তার স্ত্রী সালমা বেগম (৩৫)। এ ঘটনার মূল আসামি আতাউর রহমান (৩৮) পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত নয়ন ও সালমা ভুক্তভোগি ওই তরুণীর প্রতিবেশি সম্পর্কে চাচা ও চাচী হন। মামলার অভিযুক্ত আসামি একই উপজেলার পূর্ব রামচন্দ্রপুরের আতাউর রহমান নয়নের বাড়িতে যাওয়া আসা করতেন। প্রায় দুই মাস আগে সালমা বেগম ওই মেয়েকে তাদের বাড়িতে ডেকে নিয়ে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে ঝালমুড়ি খাইতে দেন। এরপর সেই ঝালমুড়ি খেয়ে মেয়েটির মাথা ঘুরতে থাকলে সালমা বাড়ির দরজা লাগিয়ে দিয়ে বাহিরে চলে যান। তখন বাড়িতে থাকা আতাউর তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন এবং ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন। বিষয়টি কাউকে জানালে ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিবে বলে হুমকি দেয়। এরপর আবারও গত ১১ জুলাই আতাউর মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। এসময় তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে বিষয়টি জানাজানি হয়।

পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ ময়নুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলার পর সহযোগি দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সালমা বেগমকে শনিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে ও নয়নকে রবিবার আদালতে পাঠানো হবে। মূল আসামি পলাতক রয়েছেন, তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews