মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
কালিহাতীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময় সভা বাউফলে প্রধানমন্ত্রীর ছবির উপর অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ লেখার অভিযোগ ঘোড়াঘাটে হারপেস ইনফেকশন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সাইন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠানে আউটসোর্সিং প্রথা বিলুপ্ত ও চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে রাজপথে নামার আলটিমেটাম অসুস্থ ও অসহায় পরিবারের  পাশে দাঁড়ানোর   আহ্বান, এমপি কাজলের ! হাটহাজারীতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, কমিউনিটি সেন্টারকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা !  নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ও পুনঃতফসিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন শেরপুরে জোর পূর্বক জমি দখলের চেষ্টা আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা নিশ্চিতে নির্ভুল তথ্যভাণ্ডার গড়ার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

চট্টগ্রামবাসীর দাবী: দুর্নীতিবাজ আব্দুস ছালাম ও রেজাউল করিমের বিচার চাই

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৪

চট্টগ্রামে উন্নয়ন নয়, দুর্নীতি ও অপচয়ের রাজত্ব
চট্টগ্রামের উন্নয়নকে ঢাল বানিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সিডিএ’র সাবেক চেয়ারম্যান এম এ ছালাম ও সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে। চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন ও মহাসচিব মো. কামাল উদ্দিন এক যৌথ বিবৃতিতে এসব দুর্নীতির নিন্দা জানিয়ে তাদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন। অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও প্রাণহানির অভিযোগ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বহদ্দারহাট ফ্লাইওভারের নির্মাণ ত্রুটির কারণে ১১ জনের মর্মান্তিক প্রাণহানি ঘটে। এছাড়া বহদ্দারহাট থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার নির্মাণে অতিরিক্ত খরচ দেখিয়ে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তারা আরও বলেন, লালখান বাজার থেকে টাইগার পাস পর্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ি এলাকার সৌন্দর্য ও প্রকৃতিকে ধ্বংস করেছে। জনগণের জন্য প্রায় অপ্রয়োজনীয় এ প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে অতিরিক্ত অর্থ।
অপ্রয়োজনীয় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে সিডিএ’র তত্ত্বাবধানে নির্মিত ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েটি পরিকল্পনার অভাবে জনগণের কোনো কাজে আসছে না। এর মাঝপথে কোথাও ওঠানামার ব্যবস্থা রাখা হয়নি। চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম দাবি করেছে, এই প্রকল্পের যে ব্যয়, তা দিয়ে উন্নত দেশের মতো আরও চারটি কার্যকর ফ্লাইওভার নির্মাণ সম্ভব ছিল। সাবেক মেয়র রেজাউল করিমের দুর্নীতি সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে উন্নয়নের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। তার সময়ে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প ও অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নে যে অর্থ খরচ হয়েছে, তার যথাযথ হিসাব জনগণের কাছে প্রকাশ করা হয়নি। জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানের নামে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করেও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় জনগণের ক্ষোভ বৃদ্ধি পেয়েছে। জনগণের দাবি ও ক্ষোভ চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষ মনে করে, আব্দুস ছালাম ও রেজাউল করিম তাদের দুর্নীতির মাধ্যমে নিজেদের আখের গোছানোর চেষ্টা করেছেন। তাদের অপরিকল্পিত প্রকল্প ও অর্থ আত্মসাতের দায় জনগণের কাঁধে চাপানো হয়েছে। নাগরিক ফোরামের দাবি ১. আব্দুস ছালাম ও রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।
২. অপরিকল্পিত প্রকল্পে সৃষ্ট ক্ষতির ক্ষতিপূরণের উদ্যোগ।
৩. ভবিষ্যতে এই ধরনের দুর্নীতি ও অপচয় রোধে স্বচ্ছ নীতি প্রণয়ন।
আন্দোলনের ঘোষণা
চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারা নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন শুরু করবে। ফোরামের মতে, চট্টগ্রামের প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে দুর্নীতিবাজদের বিচারের আওতায় আনা প্রয়োজন।
চট্টগ্রামবাসীর দাবি—উন্নয়নের নামে আত্মসাৎকারী সাবেক সিডিএ চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম ও সাবেক মেয়র রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও দুর্নীতির অবসান ঘটিয়ে নগরবাসীর জন্য একটি টেকসই ও স্বচ্ছ উন্নয়নের পথ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews